Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

আর জি কর কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য! লিফট বিপর্যয়ের রাতে আকণ্ঠ মদ্যপ ছিলেন তিন লিফটম্যানই?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬
আর জি কর কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য! লিফট বিপর্যয়ের রাতে আকণ্ঠ মদ্যপ ছিলেন তিন লিফটম্যানই?

কলকাতা: আর জি কর হাসপাতালের লিফট বিপর্যয়ে মৃত্যুর ঘটনায় লালবাজারের তদন্তে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, ঘটনার রাতে ডিউটিতে থাকা তিনজন লিফটম্যানই ছিলেন মদ্যপ! বাইরে থেকে মদ খেয়ে হাসপাতালে কাজে যোগ দিয়েছিলেন তাঁরা। নেশার ঘোরে অচৈতন্য থাকায় নাগেরবাজারের অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদ কানেই পৌঁছায়নি তাঁদের। অনিচ্ছাকৃত খুনের এই মামলায় পুলিশের জেরার মুখে অভিযুক্তরা তাঁদের দোষ স্বীকার করেছেন বলেও সূত্রের খবর।


তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, গত ১৯ মার্চ রাত ১০টা থেকে ওই তিন লিফটম্যানের ডিউটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। সিসিটিভি ফুটেজ ও জেরা থেকে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যায় হাসপাতালের বাইরের ঠেকে আলাদা-আলাদাভাবে মদ্যপান করে তাঁরা ডিউটিতে ঢোকেন। রাত বারোটার পর থেকে সিসিটিভিতে তাঁদের কাউকেই লিফটের ধারেকাছে দেখা যায়নি। এমনকী দু'জন লিফটম্যান এতটাই নেশাগ্রস্ত ছিলেন যে তাঁরা ট্রমা কেয়ার ইউনিটের কাছেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন! বাকি একজন সাততলার ঘরে বসে মোবাইলে গান শুনতে ব্যস্ত ছিলেন!


বিপর্যয়ের সময় অরূপবাবুর বাবা অমল বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ছেলে, বউমা ও নাতিকে বাঁচানোর জন্য হাহাকার করছিলেন, তখন ওই মদ্যপ লিফটম্যানরা শুধু জানিয়ে দিয়েছিলেন, ‘এখন কিছু করা যাবে না’। গোয়েন্দাদের মতে, যদি তাঁরা সজাগ থাকতেন, তাহলে বেসমেন্টের তালা ভেঙে অনেক আগেই আটকে পড়া পরিবারটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হত। নেশার ঘোর আর অবহেলার কারণেই দীর্ঘক্ষণ লিফটে আটকে থেকে মৃত্যু হয় অরূপের।


লালবাজারের গোয়েন্দারা ইতিমধ্যে হাসপাতালের প্রায় ৭০টি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছেন। অভিযুক্তরা জেরায় জানিয়েছেন, তাঁরা ছাড়াও হাসপাতালের আরও অনেক লিফটম্যান প্রায়শই মদ্যপ অবস্থায় ডিউটি করতে আসে। এই লিফটম্যানরা সেদিন ঠিক কোথায় মদ্যপান করেছিলেন এবং তাঁদের মোবাইল টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখে আরও তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা করছে পুলিশ।

বিষয় : RG Kar Lift Case

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


আর জি কর কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য! লিফট বিপর্যয়ের রাতে আকণ্ঠ মদ্যপ ছিলেন তিন লিফটম্যানই?

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: আর জি কর হাসপাতালের লিফট বিপর্যয়ে মৃত্যুর ঘটনায় লালবাজারের তদন্তে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, ঘটনার রাতে ডিউটিতে থাকা তিনজন লিফটম্যানই ছিলেন মদ্যপ! বাইরে থেকে মদ খেয়ে হাসপাতালে কাজে যোগ দিয়েছিলেন তাঁরা। নেশার ঘোরে অচৈতন্য থাকায় নাগেরবাজারের অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদ কানেই পৌঁছায়নি তাঁদের। অনিচ্ছাকৃত খুনের এই মামলায় পুলিশের জেরার মুখে অভিযুক্তরা তাঁদের দোষ স্বীকার করেছেন বলেও সূত্রের খবর।তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, গত ১৯ মার্চ রাত ১০টা থেকে ওই তিন লিফটম্যানের ডিউটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। সিসিটিভি ফুটেজ ও জেরা থেকে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যায় হাসপাতালের বাইরের ঠেকে আলাদা-আলাদাভাবে মদ্যপান করে তাঁরা ডিউটিতে ঢোকেন। রাত বারোটার পর থেকে সিসিটিভিতে তাঁদের কাউকেই লিফটের ধারেকাছে দেখা যায়নি। এমনকী দু'জন লিফটম্যান এতটাই নেশাগ্রস্ত ছিলেন যে তাঁরা ট্রমা কেয়ার ইউনিটের কাছেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন! বাকি একজন সাততলার ঘরে বসে মোবাইলে গান শুনতে ব্যস্ত ছিলেন!বিপর্যয়ের সময় অরূপবাবুর বাবা অমল বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ছেলে, বউমা ও নাতিকে বাঁচানোর জন্য হাহাকার করছিলেন, তখন ওই মদ্যপ লিফটম্যানরা শুধু জানিয়ে দিয়েছিলেন, ‘এখন কিছু করা যাবে না’। গোয়েন্দাদের মতে, যদি তাঁরা সজাগ থাকতেন, তাহলে বেসমেন্টের তালা ভেঙে অনেক আগেই আটকে পড়া পরিবারটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হত। নেশার ঘোর আর অবহেলার কারণেই দীর্ঘক্ষণ লিফটে আটকে থেকে মৃত্যু হয় অরূপের।লালবাজারের গোয়েন্দারা ইতিমধ্যে হাসপাতালের প্রায় ৭০টি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছেন। অভিযুক্তরা জেরায় জানিয়েছেন, তাঁরা ছাড়াও হাসপাতালের আরও অনেক লিফটম্যান প্রায়শই মদ্যপ অবস্থায় ডিউটি করতে আসে। এই লিফটম্যানরা সেদিন ঠিক কোথায় মদ্যপান করেছিলেন এবং তাঁদের মোবাইল টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখে আরও তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা করছে পুলিশ।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার