Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

রাহুলের ময়নাতদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য! ফুসফুসে বিপুল বালি ও নোনা জল, মৃত্যু নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬
রাহুলের ময়নাতদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য! ফুসফুসে বিপুল বালি ও নোনা জল, মৃত্যু নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

কলকাতা: অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় কোনো গাফিলতি? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট সামনে আসতেই সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হলো। হাসপাতাল সূত্রে খবর, রাহুলের ফুসফুস ও খাদ্যনালিতে যে পরিমাণ বালি ও নোনা জল পাওয়া গিয়েছে, তা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘক্ষণ জলের তলায় না থাকলে শরীরে এত বিপুল পরিমাণ বালি ও জল প্রবেশ করা সম্ভব নয়।


প্রাথমিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নোনা জল ঢুকে রাহুলের ফুসফুসের আকার স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। এমনকি তাঁর খাদ্যনালিতেও বালি ও কাদা মিলেছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, এই পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে রাহুল অন্তত এক ঘণ্টারও বেশি সময় জলের নিচে ছিলেন। অথচ শুটিং সেটের প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ দাবি করেছিলেন যে তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের এই তথ্য প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানকে সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দিল।


তদন্তে উঠে আসছে একাধিক অসঙ্গতি:

১. উদ্ধারে দেরি: যদি দ্রুত উদ্ধার করা হয়ে থাকে, তবে ফুসফুসে এত বালি এল কী করে? তবে কি রাহুলকে খুঁজে পেতেই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল?

২. নিরাপত্তার অভাব: প্রশাসনকে না জানিয়েই কেন ওই বিপজ্জনক এলাকায় শুটিং চলছিল? ড্রোনের শট বাকি থাকা সত্ত্বেও কেন পর্যাপ্ত লাইফ-গার্ড বা নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না?

৩. বয়ান বনাম বাস্তবতা: শুটিং ম্যানেজার ও পরিচালকের বয়ানেও মিলেছে অসঙ্গতি। প্যাক-আপ হয়ে যাওয়ার পরেও কেন রাহুলকে সমুদ্রে নামতে দেওয়া হলো, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।


সোমবার দুপুরে তমলুক মেডিকেল কলেজ থেকে রাহুলের নিথর দেহ এসে পৌঁছায় তাঁর প্রিয় বিজয়গড়ের বাড়িতে। সেখানে স্বরূপ বিশ্বাস থেকে শুরু করে টলিপাড়ার অসংখ্য সহকর্মী ও অনুরাগীরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। চোখের জলে প্রিয় 'বাবিন'-কে বিদায় জানানোর মাঝেই এখন সবার মুখে একটাই কথা— রাহুলের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত হোক। আজই কেওড়াতলা মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

বিষয় : rahul banerjee shockingdeath Rahul Banerjee Autopsy

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


রাহুলের ময়নাতদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য! ফুসফুসে বিপুল বালি ও নোনা জল, মৃত্যু নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় কোনো গাফিলতি? ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট সামনে আসতেই সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হলো। হাসপাতাল সূত্রে খবর, রাহুলের ফুসফুস ও খাদ্যনালিতে যে পরিমাণ বালি ও নোনা জল পাওয়া গিয়েছে, তা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘক্ষণ জলের তলায় না থাকলে শরীরে এত বিপুল পরিমাণ বালি ও জল প্রবেশ করা সম্ভব নয়।প্রাথমিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নোনা জল ঢুকে রাহুলের ফুসফুসের আকার স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। এমনকি তাঁর খাদ্যনালিতেও বালি ও কাদা মিলেছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, এই পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে রাহুল অন্তত এক ঘণ্টারও বেশি সময় জলের নিচে ছিলেন। অথচ শুটিং সেটের প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ দাবি করেছিলেন যে তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের এই তথ্য প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানকে সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দিল।তদন্তে উঠে আসছে একাধিক অসঙ্গতি:১. উদ্ধারে দেরি: যদি দ্রুত উদ্ধার করা হয়ে থাকে, তবে ফুসফুসে এত বালি এল কী করে? তবে কি রাহুলকে খুঁজে পেতেই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল?২. নিরাপত্তার অভাব: প্রশাসনকে না জানিয়েই কেন ওই বিপজ্জনক এলাকায় শুটিং চলছিল? ড্রোনের শট বাকি থাকা সত্ত্বেও কেন পর্যাপ্ত লাইফ-গার্ড বা নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না?৩. বয়ান বনাম বাস্তবতা: শুটিং ম্যানেজার ও পরিচালকের বয়ানেও মিলেছে অসঙ্গতি। প্যাক-আপ হয়ে যাওয়ার পরেও কেন রাহুলকে সমুদ্রে নামতে দেওয়া হলো, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।সোমবার দুপুরে তমলুক মেডিকেল কলেজ থেকে রাহুলের নিথর দেহ এসে পৌঁছায় তাঁর প্রিয় বিজয়গড়ের বাড়িতে। সেখানে স্বরূপ বিশ্বাস থেকে শুরু করে টলিপাড়ার অসংখ্য সহকর্মী ও অনুরাগীরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। চোখের জলে প্রিয় 'বাবিন'-কে বিদায় জানানোর মাঝেই এখন সবার মুখে একটাই কথা— রাহুলের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত হোক। আজই কেওড়াতলা মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার