Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

চিরবিদায় রাহুল! কেওড়াতলায় কান্নার রোল, সায়নীকে জড়িয়ে ধরলেন বিধ্বস্ত প্রিয়াঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬
চিরবিদায় রাহুল! কেওড়াতলায় কান্নার রোল, সায়নীকে জড়িয়ে ধরলেন বিধ্বস্ত প্রিয়াঙ্কা
FILE IMAGE

কলকাতা: টলিউড থেকে রাজনৈতিক মহল- কান্নাভেজা চোখে বিদায় জানাল প্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সোমবার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে সম্পন্ন হল তাঁর শেষকৃত্য। বিজয়গড় থেকে শ্মশান পর্যন্ত দীর্ঘ পদযাত্রা, সেখানে বাম সমর্থকদের ‘লাল সেলাম’ আর সহকর্মীদের চোখের জল - সব যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল।


শ্মশানে যখন রাহুলের নশ্বর দেহ দাহ করার প্রক্রিয়া চলছে, তখন পাথর হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারকে। তাঁর পরনে ছিল সাদা কুর্তি, চোখেমুখে স্বজন হারানোর যন্ত্রণা। এই কঠিন সময়ে তাঁর হাত শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন অভিনেত্রী ও সাংসদ সায়নী ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অঙ্কুশ হাজরা, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় ও চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো ইন্ডাস্ট্রির নক্ষত্ররা। পরিবারের আর্জি মেনে অনাড়ম্বরভাবেই সারা হয় শেষ প্রক্রিয়া। বড়দের সঙ্গে ছিল ছোট্ট সহজও।


রাহুলের দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী ছিলেন তাঁর গাড়িচালক বাবলু। তালসারি যাওয়ার সময়েও তিনি অভিনেতার সঙ্গেই ছিলেন। এদিন শ্মশানে শববাহী গাড়িটি ধরে বাবলুর কান্নায় ভেঙে পড়ার দৃশ্য দেখে উপস্থিত জনতা চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী এবং আর্টিস্ট ফোরামের অন্য সদস্যরাও।


রাহুলকে শেষ বিদায় জানানোর মিছিলে উপচে পড়েছিল মানুষের ভিড়। পদযাত্রার নেতৃত্বে ছিলেন দীপ্সিতা ধর। বামপন্থী সমর্থকদের কণ্ঠে শোনা যায় ‘জাগো জাগো সর্বহারা’ গান। তবে, শ্মশানে ভিড়ের চাপে ঢুকতে দেরি হয়ে যায় রাহুলের স্কুলের বন্ধুদের। নিরাপত্তাবলয় পেরিয়ে তাঁরা যখন ভিতরে পৌঁছন, ততক্ষণে প্রিয় বন্ধুকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে দাহ করার জন্য! শেষ দেখা দেখতে না পাওয়ার আক্ষেপ ঝরে পড়ল তাঁদের চোখে-মুখে।


বিজয়গড় থেকে কেওড়াতলা - গোটা শহর এদিন সাক্ষী থাকল এক প্রতিভাবান অভিনেতার অকাল বিদায়ের। রাজনীতির ময়দান থেকে স্টুডিও পাড়া, ‘লাল সেলাম’ জানিয়ে রাহুলকে চিরবিদায় দিল বাংলা।

বিষয় : rahularunodaybanerjee tollygungepolitics keoratola priyankasarkar mysteriousdeath leftfront bijaygarh

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


চিরবিদায় রাহুল! কেওড়াতলায় কান্নার রোল, সায়নীকে জড়িয়ে ধরলেন বিধ্বস্ত প্রিয়াঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: টলিউড থেকে রাজনৈতিক মহল- কান্নাভেজা চোখে বিদায় জানাল প্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সোমবার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে সম্পন্ন হল তাঁর শেষকৃত্য। বিজয়গড় থেকে শ্মশান পর্যন্ত দীর্ঘ পদযাত্রা, সেখানে বাম সমর্থকদের ‘লাল সেলাম’ আর সহকর্মীদের চোখের জল - সব যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল।শ্মশানে যখন রাহুলের নশ্বর দেহ দাহ করার প্রক্রিয়া চলছে, তখন পাথর হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারকে। তাঁর পরনে ছিল সাদা কুর্তি, চোখেমুখে স্বজন হারানোর যন্ত্রণা। এই কঠিন সময়ে তাঁর হাত শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন অভিনেত্রী ও সাংসদ সায়নী ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অঙ্কুশ হাজরা, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় ও চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো ইন্ডাস্ট্রির নক্ষত্ররা। পরিবারের আর্জি মেনে অনাড়ম্বরভাবেই সারা হয় শেষ প্রক্রিয়া। বড়দের সঙ্গে ছিল ছোট্ট সহজও।রাহুলের দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী ছিলেন তাঁর গাড়িচালক বাবলু। তালসারি যাওয়ার সময়েও তিনি অভিনেতার সঙ্গেই ছিলেন। এদিন শ্মশানে শববাহী গাড়িটি ধরে বাবলুর কান্নায় ভেঙে পড়ার দৃশ্য দেখে উপস্থিত জনতা চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী এবং আর্টিস্ট ফোরামের অন্য সদস্যরাও।রাহুলকে শেষ বিদায় জানানোর মিছিলে উপচে পড়েছিল মানুষের ভিড়। পদযাত্রার নেতৃত্বে ছিলেন দীপ্সিতা ধর। বামপন্থী সমর্থকদের কণ্ঠে শোনা যায় ‘জাগো জাগো সর্বহারা’ গান। তবে, শ্মশানে ভিড়ের চাপে ঢুকতে দেরি হয়ে যায় রাহুলের স্কুলের বন্ধুদের। নিরাপত্তাবলয় পেরিয়ে তাঁরা যখন ভিতরে পৌঁছন, ততক্ষণে প্রিয় বন্ধুকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে দাহ করার জন্য! শেষ দেখা দেখতে না পাওয়ার আক্ষেপ ঝরে পড়ল তাঁদের চোখে-মুখে।বিজয়গড় থেকে কেওড়াতলা - গোটা শহর এদিন সাক্ষী থাকল এক প্রতিভাবান অভিনেতার অকাল বিদায়ের। রাজনীতির ময়দান থেকে স্টুডিও পাড়া, ‘লাল সেলাম’ জানিয়ে রাহুলকে চিরবিদায় দিল বাংলা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার