নয়াদিল্লি: ফের তপ্ত উপমহাদেশের পরিস্থিতি। ভারতের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে এবার সরাসরি কলকাতার নাম নিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী Khawaja Asif। তাঁর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ভারত-পাক সম্পর্ক নিয়ে, উঠছে সম্ভাব্য সংঘর্ষ বা সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কা।
পাকিস্তানের সিয়ালকোটে এক সাংবাদিক বৈঠকে খাওয়াজা আসিফ বলেন, ভারত যদি কোনও “মিথ্যা অজুহাতে” সামরিক অভিযান চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে সেই সংঘাত কলকাতা পর্যন্ত গড়াতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যে সরাসরি হুঁশিয়ারির সুর স্পষ্ট, যা কূটনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই মন্তব্যের পটভূমিতে রয়েছে সাম্প্রতিক উত্তেজনা, যা শুরু হয়েছিল Pahalgam-এ হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সেই ঘটনার পর থেকেই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক ক্রমশ তিক্ত হয়ে উঠেছে। সীমান্তে নজরদারি ও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে, দুই দেশই একে অপরকে দায়ী করছে পরিস্থিতির অবনতির জন্য।
এর আগেই ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী Rajnath Singh কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের তরফে কোনও রকম হামলা হলে ভারত এবার “ঘরে ঢুকে” জবাব দিতে পিছপা হবে না। সেই বক্তব্যেরই পাল্টা হিসেবে খাওয়াজা আসিফের এই মন্তব্যকে দেখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের মন্তব্য মূলত রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশল হলেও, তা জনমনে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা তৈরি করে। কলকাতার মতো একটি বড় মহানগরের নাম সরাসরি উল্লেখ করা, নিঃসন্দেহে পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
তবে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও সামরিক পদক্ষেপ বা যুদ্ধ পরিস্থিতির ইঙ্গিত মেলেনি। কূটনৈতিক স্তরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
ভারত-পাক সম্পর্ক বরাবরই স্পর্শকাতর। হুঁশিয়ারি ও পাল্টা হুঁশিয়ারির এই পর্ব নতুন নয়, তবে কলকাতার মতো শহরের নাম সরাসরি উঠে আসায় পরিস্থিতি যে নতুন মাত্রা পেয়েছে, তা স্পষ্ট। এখন নজর, কূটনৈতিক স্তরে এই উত্তেজনা প্রশমিত হয়, নাকি আরও বাড়ে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন