Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পুলিশের খাতায় বেমালুম গায়েব কুখ্যাত ডন! কসবার ওসির সাসপেনশনে লালবাজারে তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
পুলিশের খাতায় বেমালুম গায়েব কুখ্যাত ডন! কসবার ওসির সাসপেনশনে লালবাজারে তোলপাড়
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতা: দক্ষিণ কলকাতার কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর সঙ্গে পুলিশের 'গভীর বন্ধুত্বের' মাশুল গুনতে হল কসবা থানার ওসি বিশ্বজিৎ দেবনাথকে। একাধিক অপরাধের রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও পাপ্পুর নাম অ্যাক্টিভ ক্রিমিনাল লিস্ট থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগে শনিবার রাতে লালবাজারের পক্ষ থেকে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশের অন্দরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।


সোনা পাপ্পু - তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, খুনের চেষ্টা, আগ্নেয়াস্ত্র রাখা থেকে শুরু করে জমি দখলের পাহাড়প্রমাণ অভিযোগ রয়েছে কসবা, গড়িয়াহাট, রবীন্দ্র সরোবর ও যাদবপুর থানায়। এমনকী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কাকুলিয়া রোডে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠলেও আশ্চর্যজনকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি। 


ঘটনার তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেই অনুসারে, একপ্রকার পরিকল্পনা করেই অপরাধীদের তালিকা থেকে তাঁর নাম মুছে দেওয়া হয়েছিল! যাতে কোনও ওয়ারেন্ট বা আইনি জটিলতা না আসে! আর এই গোটা প্রক্রিয়ায় কসবা থানার ওসির সরাসরি মদত ছিল বলে অভিযোগ।


তবে, স্থানীয় পুলিশ চোখ বুজে থাকলেও গত সপ্তাহে কোমর বেঁধে মাঠে নামে ইডি। সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। সেখান থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৩০০টি জমির দলিল! তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, মাথায় বন্দুকের নলের ঠেকিয়ে জমির মালিকদের জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রজেক্টে সই করতে বাধ্য করত পাপ্পু। শুধু তাই নয়। পুলিশের একাংশের মদতে সে অনায়াসেই আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পর্যন্ত পেয়ে গিয়েছিল!


পাপ্পুর মোবাইল ফোন ঘেঁটে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী পুলিশ আধিকারিকের নাম পেয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। কাদের ছত্রছায়ায় একজন কুখ্যাত অপরাধী শহরজুড়ে দাপিয়ে বেড়াত, এখন সেই জট খুলতেই মরিয়া লালবাজার। ওসির সাসপেনশন কেবল হিমশৈলের চূড়ামাত্র বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে, ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছে সোনা পাপ্পু। তার খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

বিষয় : KOLKATACRIME kasbapolice sonapaapu criminallistomission scandal

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


পুলিশের খাতায় বেমালুম গায়েব কুখ্যাত ডন! কসবার ওসির সাসপেনশনে লালবাজারে তোলপাড়

প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কলকাতা: দক্ষিণ কলকাতার কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর সঙ্গে পুলিশের 'গভীর বন্ধুত্বের' মাশুল গুনতে হল কসবা থানার ওসি বিশ্বজিৎ দেবনাথকে। একাধিক অপরাধের রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও পাপ্পুর নাম অ্যাক্টিভ ক্রিমিনাল লিস্ট থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগে শনিবার রাতে লালবাজারের পক্ষ থেকে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশের অন্দরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোনা পাপ্পু - তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, খুনের চেষ্টা, আগ্নেয়াস্ত্র রাখা থেকে শুরু করে জমি দখলের পাহাড়প্রমাণ অভিযোগ রয়েছে কসবা, গড়িয়াহাট, রবীন্দ্র সরোবর ও যাদবপুর থানায়। এমনকী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কাকুলিয়া রোডে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠলেও আশ্চর্যজনকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি। ঘটনার তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেই অনুসারে, একপ্রকার পরিকল্পনা করেই অপরাধীদের তালিকা থেকে তাঁর নাম মুছে দেওয়া হয়েছিল! যাতে কোনও ওয়ারেন্ট বা আইনি জটিলতা না আসে! আর এই গোটা প্রক্রিয়ায় কসবা থানার ওসির সরাসরি মদত ছিল বলে অভিযোগ।তবে, স্থানীয় পুলিশ চোখ বুজে থাকলেও গত সপ্তাহে কোমর বেঁধে মাঠে নামে ইডি। সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। সেখান থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৩০০টি জমির দলিল! তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, মাথায় বন্দুকের নলের ঠেকিয়ে জমির মালিকদের জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রজেক্টে সই করতে বাধ্য করত পাপ্পু। শুধু তাই নয়। পুলিশের একাংশের মদতে সে অনায়াসেই আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পর্যন্ত পেয়ে গিয়েছিল!পাপ্পুর মোবাইল ফোন ঘেঁটে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী পুলিশ আধিকারিকের নাম পেয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। কাদের ছত্রছায়ায় একজন কুখ্যাত অপরাধী শহরজুড়ে দাপিয়ে বেড়াত, এখন সেই জট খুলতেই মরিয়া লালবাজার। ওসির সাসপেনশন কেবল হিমশৈলের চূড়ামাত্র বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে, ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছে সোনা পাপ্পু। তার খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার