Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মোদী এলেন, কিন্তু শুভেন্দু কোথায়? বিরোধী দলনেতার অনুপস্থিতিতে কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কাঁটা?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
মোদী এলেন, কিন্তু শুভেন্দু কোথায়? বিরোধী দলনেতার অনুপস্থিতিতে কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কাঁটা?
প্রতীকী ছবি

কোচবিহার: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পর আজই রাজ্যে প্রথম নির্বাচনী জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে উপচে পড়া ভিড়, মঞ্চে হাজির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে সুকান্ত মজুমদারের মতো হেভিওয়েটরা। কিন্তু, গোটা অনুষ্ঠানে সবথেকে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াল একটাই - কোথায় শুভেন্দু অধিকারী? বঙ্গ বিজেপির অন্যতম প্রধান মুখ এবং ‘পোস্টার বয়’ শুভেন্দুর এই অনুপস্থিতি ঘিরে এখন রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে।


বিজেপি সূত্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চে শুভেন্দু অধিকারীর জন্য নির্দিষ্ট আসন বরাদ্দ ছিল। দলের প্রথা অনুযায়ী, যে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় নেই, সেখানে রাজ্য সভাপতির পাশাপাশি বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি এবং ব্যানারের ছবিতে তাঁর মুখ থাকা আবশ্যিক। শমীক ভট্টাচার্য ও সুকান্ত মজুমদার উত্তরবঙ্গে উপস্থিত থাকলেও, শুভেন্দুকে দেখা গেল উল্টো মেরুতে - নিজের জেলা পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে। কিন্তু, কেন এই দূরত্ব?


দলের অন্দরের খবর অনুযায়ী, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে রাজ্য বিজেপির সংগঠন সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তীর ‘গাফিলতি’। অভিযোগ উঠেছে, এই ধরনের হাই-প্রোফাইল সভার জন্য যে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ সংগঠন সম্পাদকের দফতর থেকে যাওয়ার কথা, তা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পৌঁছয়নি!


তবে, এই প্রথম নয়। এর আগেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর কিংবা সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সময় মতো আমন্ত্রণ না পাঠানোর অভিযোগ উঠেছিল অমিতাভ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। আলিপুরদুয়ারের প্রার্থী তথা সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে দিল্লির বৈঠকের কথা এত দেরিতে জানানো হয়েছিল যে তাঁর পক্ষে পৌঁছানোই সম্ভব হয়নি।


শুভেন্দু অধিকারী নিজে এই বিতর্ক নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। রবিবার তিনি কোচবিহারে না গিয়ে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র নন্দীগ্রামে প্রচার ও জনসংযোগেই সময় কাটিয়েছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, আমন্ত্রণ না পেলে অযাচিতভাবে কোথাও যাওয়া তাঁর স্বভাববিরুদ্ধ।

ভোটের মুখে যখন এককাট্টা হয়ে লড়াই করার কথা, তখন মোদীর প্রথম সভায় শুভেন্দুর মতো দাপুটে নেতার গরহাজিরা দলের অন্দরের ফাটলকেই কি প্রকট করে তুলল? উত্তর খুঁজছে রাজনৈতিক মহল। যদিও এই বিষয়ে অমিতাভ চক্রবর্তীর কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

বিষয় : Narendra Modi Suvendu Adhikary polititcaldiplomacy AMITABHACCHATERJEE COOCHBIHAR ELECTION

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


মোদী এলেন, কিন্তু শুভেন্দু কোথায়? বিরোধী দলনেতার অনুপস্থিতিতে কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কাঁটা?

প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কোচবিহার: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পর আজই রাজ্যে প্রথম নির্বাচনী জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে উপচে পড়া ভিড়, মঞ্চে হাজির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে সুকান্ত মজুমদারের মতো হেভিওয়েটরা। কিন্তু, গোটা অনুষ্ঠানে সবথেকে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াল একটাই - কোথায় শুভেন্দু অধিকারী? বঙ্গ বিজেপির অন্যতম প্রধান মুখ এবং ‘পোস্টার বয়’ শুভেন্দুর এই অনুপস্থিতি ঘিরে এখন রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে।বিজেপি সূত্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চে শুভেন্দু অধিকারীর জন্য নির্দিষ্ট আসন বরাদ্দ ছিল। দলের প্রথা অনুযায়ী, যে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় নেই, সেখানে রাজ্য সভাপতির পাশাপাশি বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি এবং ব্যানারের ছবিতে তাঁর মুখ থাকা আবশ্যিক। শমীক ভট্টাচার্য ও সুকান্ত মজুমদার উত্তরবঙ্গে উপস্থিত থাকলেও, শুভেন্দুকে দেখা গেল উল্টো মেরুতে - নিজের জেলা পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে। কিন্তু, কেন এই দূরত্ব?দলের অন্দরের খবর অনুযায়ী, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে রাজ্য বিজেপির সংগঠন সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তীর ‘গাফিলতি’। অভিযোগ উঠেছে, এই ধরনের হাই-প্রোফাইল সভার জন্য যে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ সংগঠন সম্পাদকের দফতর থেকে যাওয়ার কথা, তা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পৌঁছয়নি!তবে, এই প্রথম নয়। এর আগেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর কিংবা সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সময় মতো আমন্ত্রণ না পাঠানোর অভিযোগ উঠেছিল অমিতাভ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। আলিপুরদুয়ারের প্রার্থী তথা সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে দিল্লির বৈঠকের কথা এত দেরিতে জানানো হয়েছিল যে তাঁর পক্ষে পৌঁছানোই সম্ভব হয়নি।শুভেন্দু অধিকারী নিজে এই বিতর্ক নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। রবিবার তিনি কোচবিহারে না গিয়ে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র নন্দীগ্রামে প্রচার ও জনসংযোগেই সময় কাটিয়েছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, আমন্ত্রণ না পেলে অযাচিতভাবে কোথাও যাওয়া তাঁর স্বভাববিরুদ্ধ।ভোটের মুখে যখন এককাট্টা হয়ে লড়াই করার কথা, তখন মোদীর প্রথম সভায় শুভেন্দুর মতো দাপুটে নেতার গরহাজিরা দলের অন্দরের ফাটলকেই কি প্রকট করে তুলল? উত্তর খুঁজছে রাজনৈতিক মহল। যদিও এই বিষয়ে অমিতাভ চক্রবর্তীর কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার