নিজস্ব প্রতিনিধি: পশ্চিম এশিয়ার রণক্ষেত্রে সাময়িক বিরতি ঘটলেও কূটনৈতিক লড়াই এখন চরম সীমায়। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মাঝেই এবার চিনকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস থেকে মায়ামি যাওয়ার পথে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি সাফ জানান, ইরানকে কোনওভাবেই যেন চিন সহযোগিতা না করে। যদি বেজিং তেহরানকে সমরাস্ত্র পাঠিয়ে সাহায্য করে, তবে তার পরিণাম মোটেও ভালো হবে না। শনিবারের দ্বিপাক্ষিক শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্পের এই কড়া বার্তা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত সিএনএন-এর একটি চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন ঘিরে। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধের এই আবহে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে গোপনে অস্ত্র পাঠাতে চলেছে শি জিনপিংয়ের দেশ। সরাসরি ধরা পড়ার ভয়ে তৃতীয় কোনও দেশের মাধ্যমে এই সমরাস্ত্র সরবরাহের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে 'ম্যানপ্যাডস' (MANPADS) বা অ্যান্টি এয়ার মিসাইল সিস্টেম পাঠানোর খবর রটে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন ওয়াশিংটন। কারণ, এই প্রযুক্তির সাহায্যে নিচু দিয়ে ওড়া মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলিকে সহজেই লক্ষ্যবস্তু করতে পারবে ইরান।
যদিও এই সমস্ত অভিযোগকে পুরোপুরি 'ভিত্তিহীন' এবং 'মিথ্যা' বলে উড়িয়ে দিয়েছে বেজিং। আমেরিকায় অবস্থিত চিনা দূতাবাসের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, তারা কোনও পক্ষকেই অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করছে না এবং এই ধরনের গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করার চেষ্টা হচ্ছে। তবে মার্কিন প্রশাসন চিনের গতিবিধির ওপর কড়া নজর রাখছে। একদিকে শনিবারের শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়া, আর অন্যদিকে চিনের অস্ত্র সাহায্যের জল্পনা— সব মিলিয়ে দু'সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি আদৌ টিকবে কি না, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন