Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

এবার ট্রাম্পের নিশানায় মেলোনি! ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে নজিরবিহীন কটাক্ষ!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
এবার ট্রাম্পের নিশানায় মেলোনি! ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে নজিরবিহীন কটাক্ষ!
FILE IMAGE

ওয়াশিংটন: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে ইজরায়েল ও আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি ইউরোপের অনেক দেশই। যার মধ্যে ইতালি অন্যতম। সেই প্রেক্ষাপটে এবার ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে নজিরবিহীন ভাষায় কটাক্ষ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, মেলোনিকে তিনি যতটা সাহসী ভেবেছিলেন, বাস্তবে তিনি তেমনটা নন!


জর্জিয়া মেলোনির সাম্প্রতিক অবস্থানে বিস্ময় প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, "আমি ওঁর মন্তব্যে চমকে গিয়েছি। আমার ধারণা ছিল, ওঁর সাহস রয়েছে। কিন্তু, আমি ভুল ছিলাম। ওঁকে যা ভেবেছিলাম, উনি তার থেকে অনেকটাই আলাদা।" ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, তিনি বহুদিন মেলোনির সঙ্গে কোনো কথা বলেননি!


হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গে মেলোনিকে কাঠগড়ায় তুলে ট্রাম্পের অভিযোগ, বিশ্বের মধ্যে শক্তি খাতে ইতালি সবচেয়ে বেশি খরচ বহন করে। অথচ, তারা হরমুজ নিয়ে লড়তে নারাজ। ট্রাম্পের দাবি, মেলোনি যুদ্ধে কোনও সাহায্যই করেননি। বরং, তারা (ইতালির বর্তমান সরকার) চায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প একাই হরমুজ খুলে দিক! মেলোনির এই আচরণ ‘মেনে নেওয়া যায় না’ বলেও দেগে দিয়েছেন ট্রাম্প।

এর পরই ইতালির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ট্রাম্প বলেন, "আপনাদের দেশের লোক কি এটা মেনে নেবে যে আপনি তেল পেতে কোনও পদক্ষেপই করলেন না? ইরান যদি ২ মিনিটে পরমাণু বোমা ফেলে গোটা দেশটাকে গুঁড়িয়েও দেয়, ওঁর কিছু যাবে আসবে না!"


তবে, ট্রাম্প যতই যাঁকে গালমন্দ করুন না কেন, বাস্তবটা হল - গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও আমেরিকা-ইজরায়েলের রক্তক্ষয়ী সংঘাত এবং আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর পর থেকে গোটা পশ্চিম এশিয়া ক্রমেই কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। যার জন্য বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ইজরায়েলের ধ্বংসাত্মক মনোভাব এবং বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের অদূরদর্শিতাকেই দায়ী করছে। ইতিমধ্যেই আমেরিকা ও ইজরায়েলকে পাল্টা জবাব দিতে কুয়েত, বাহরিন, ওমান, জর্ডন ও তুরস্কের মতো দেশগুলিতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প বুঝতে পারছেন তিনি ক্রমেই ‘একা’ হয়ে যাচ্ছেন। আর, সেই কারণেই তিনি একে-একে আমেরিকার একদা বন্ধু দেশগুলিকে তোপ দাগছেন।

বিষয় : DONALD TRUMP INTERNAL POLITICS washington MIDDLEEASTWAR GIORGIAMELONI

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


এবার ট্রাম্পের নিশানায় মেলোনি! ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে নজিরবিহীন কটাক্ষ!

প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
ওয়াশিংটন: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে ইজরায়েল ও আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি ইউরোপের অনেক দেশই। যার মধ্যে ইতালি অন্যতম। সেই প্রেক্ষাপটে এবার ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে নজিরবিহীন ভাষায় কটাক্ষ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, মেলোনিকে তিনি যতটা সাহসী ভেবেছিলেন, বাস্তবে তিনি তেমনটা নন!জর্জিয়া মেলোনির সাম্প্রতিক অবস্থানে বিস্ময় প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, "আমি ওঁর মন্তব্যে চমকে গিয়েছি। আমার ধারণা ছিল, ওঁর সাহস রয়েছে। কিন্তু, আমি ভুল ছিলাম। ওঁকে যা ভেবেছিলাম, উনি তার থেকে অনেকটাই আলাদা।" ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, তিনি বহুদিন মেলোনির সঙ্গে কোনো কথা বলেননি!হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গে মেলোনিকে কাঠগড়ায় তুলে ট্রাম্পের অভিযোগ, বিশ্বের মধ্যে শক্তি খাতে ইতালি সবচেয়ে বেশি খরচ বহন করে। অথচ, তারা হরমুজ নিয়ে লড়তে নারাজ। ট্রাম্পের দাবি, মেলোনি যুদ্ধে কোনও সাহায্যই করেননি। বরং, তারা (ইতালির বর্তমান সরকার) চায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প একাই হরমুজ খুলে দিক! মেলোনির এই আচরণ ‘মেনে নেওয়া যায় না’ বলেও দেগে দিয়েছেন ট্রাম্প।এর পরই ইতালির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ট্রাম্প বলেন, "আপনাদের দেশের লোক কি এটা মেনে নেবে যে আপনি তেল পেতে কোনও পদক্ষেপই করলেন না? ইরান যদি ২ মিনিটে পরমাণু বোমা ফেলে গোটা দেশটাকে গুঁড়িয়েও দেয়, ওঁর কিছু যাবে আসবে না!"তবে, ট্রাম্প যতই যাঁকে গালমন্দ করুন না কেন, বাস্তবটা হল - গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও আমেরিকা-ইজরায়েলের রক্তক্ষয়ী সংঘাত এবং আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর পর থেকে গোটা পশ্চিম এশিয়া ক্রমেই কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। যার জন্য বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ইজরায়েলের ধ্বংসাত্মক মনোভাব এবং বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের অদূরদর্শিতাকেই দায়ী করছে। ইতিমধ্যেই আমেরিকা ও ইজরায়েলকে পাল্টা জবাব দিতে কুয়েত, বাহরিন, ওমান, জর্ডন ও তুরস্কের মতো দেশগুলিতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প বুঝতে পারছেন তিনি ক্রমেই ‘একা’ হয়ে যাচ্ছেন। আর, সেই কারণেই তিনি একে-একে আমেরিকার একদা বন্ধু দেশগুলিকে তোপ দাগছেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার