সংসদের বিশেষ অধিবেশনে নারী ক্ষমতায়নের এক নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে, যা ঘিরে তপ্ত জাতীয় রাজনীতি। বৃহস্পতিবার অধিবেশন শুরুর প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই পদক্ষেপকে 'ঐতিহাসিক' বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, মা ও বোনেদের সম্মান জানানোই আসলে দেশকে সম্মান জানানোর শামিল।
তবে মহিলা সংরক্ষণ বিলের আড়ালে আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন বিল আনার কেন্দ্রের এই পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যেই ফুঁসছে বিরোধী শিবির। প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী, লোকসভার সাংসদ সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, জনগণনার পর সংরক্ষণের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা এড়িয়ে আসন পুনর্বিন্যাসকে তড়িঘড়ি সামনে আনা আসলে আগামী নির্বাচনের জন্য বিজেপি-র এক 'বিপজ্জনক চাল'।
ইতিমধ্যেই এই বিলের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন থেকে শুরু করে রাহুল গান্ধী। ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠকে কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে এবং বাম দলগুলি একযোগে কেন্দ্রের এই কৌশলের সমালোচনা করেছে।
বিরোধীদের দাবি, আসন পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে লোকসভার মানচিত্র বদলে নিজেদের সুবিধা খুঁজছে বিজেপি। যদিও সরকারের তরফে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু সাফ জানিয়েছেন যে, বিরোধীরা গুজব ছড়িয়ে মহিলাদের অধিকার প্রাপ্তির পথে বাধা সৃষ্টি করছে। আসন পুনর্বিন্যাস এবং নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়মকে ঘিরে এই সংঘাত এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাখছে সারা দেশ।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন