Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘নারীদের পাশে নাকি বিপক্ষে?’ মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বিরোধীদের কড়া হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
‘নারীদের পাশে নাকি বিপক্ষে?’ মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বিরোধীদের কড়া হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর
প্রতীকী ছবি

সংসদে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ অর্থাৎ মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিল ঘিরে উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে এবার সরাসরি বিরোধীদের কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার সংসদে দাঁড়িয়ে এই বিলকে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার পথে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। 


তবে শুধু বর্ণনাতেই থেমে থাকেননি প্রধানমন্ত্রী, বরং বিলটি পাশ করাতে নরমে-গরমে সব দলের সমর্থন চেয়ে একপ্রকার সাবধানবাণীও শুনিয়ে দিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট কথা, এই বিলের বিরোধিতা করার অর্থ হলো সরাসরি দেশের নারীশক্তির বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া। মোদি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, “হয় আপনারা নারীদের সঙ্গে আছেন, নয়তো তাঁদের বিপক্ষে— সেটা স্পষ্ট করুন।”


এদিন প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় ছিল মূলত কংগ্রেস। তিনি মনে করিয়ে দেন, একসময় পঞ্চায়েত স্তরে মহিলা জনপ্রতিনিধিদের সংখ্যা বৃদ্ধির কৃতিত্ব দাবি করা কংগ্রেস কেন আজ সংসদে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে? বিরোধীদের হইহট্টগোলের মাঝেই হুঁশিয়ারির সুরে মোদি বলেন, এই বিলের বিরোধিতা করলে দেশের মহিলারা কাউকে ক্ষমা করবেন না এবং এর জন্য বিরোধীদের আগামী দিনে দীর্ঘকাল মাশুল গুনতে হতে পারে।


 প্রধানমন্ত্রীর এই কড়া অবস্থান বুঝিয়ে দিয়েছে যে, ২০২৯-এর লক্ষ্যে মহিলা সংরক্ষণ বিলকে কেন্দ্র করে কোনওরকম আপস করতে নারাজ তাঁর সরকার। এখন দেখার, প্রধানমন্ত্রীর এই ‘সাবধানবাণী’র পর সংসদের অন্দরে বিরোধীদের কৌশল কী হয়।

বিষয় : WestBengalElection Narendra Modi WOMENEMPOWERMENT indianparliament NARISHAKTI

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


‘নারীদের পাশে নাকি বিপক্ষে?’ মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বিরোধীদের কড়া হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
সংসদে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ অর্থাৎ মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিল ঘিরে উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে এবার সরাসরি বিরোধীদের কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার সংসদে দাঁড়িয়ে এই বিলকে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার পথে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। তবে শুধু বর্ণনাতেই থেমে থাকেননি প্রধানমন্ত্রী, বরং বিলটি পাশ করাতে নরমে-গরমে সব দলের সমর্থন চেয়ে একপ্রকার সাবধানবাণীও শুনিয়ে দিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট কথা, এই বিলের বিরোধিতা করার অর্থ হলো সরাসরি দেশের নারীশক্তির বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া। মোদি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, “হয় আপনারা নারীদের সঙ্গে আছেন, নয়তো তাঁদের বিপক্ষে— সেটা স্পষ্ট করুন।”এদিন প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় ছিল মূলত কংগ্রেস। তিনি মনে করিয়ে দেন, একসময় পঞ্চায়েত স্তরে মহিলা জনপ্রতিনিধিদের সংখ্যা বৃদ্ধির কৃতিত্ব দাবি করা কংগ্রেস কেন আজ সংসদে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে? বিরোধীদের হইহট্টগোলের মাঝেই হুঁশিয়ারির সুরে মোদি বলেন, এই বিলের বিরোধিতা করলে দেশের মহিলারা কাউকে ক্ষমা করবেন না এবং এর জন্য বিরোধীদের আগামী দিনে দীর্ঘকাল মাশুল গুনতে হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর এই কড়া অবস্থান বুঝিয়ে দিয়েছে যে, ২০২৯-এর লক্ষ্যে মহিলা সংরক্ষণ বিলকে কেন্দ্র করে কোনওরকম আপস করতে নারাজ তাঁর সরকার। এখন দেখার, প্রধানমন্ত্রীর এই ‘সাবধানবাণী’র পর সংসদের অন্দরে বিরোধীদের কৌশল কী হয়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার