Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

লড়াই চলছে কাম্বলির, সতীর্থের দুর্দিনে পাশে দাঁড়ালেন ছোটবেলার বন্ধু সচিন

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
লড়াই চলছে কাম্বলির, সতীর্থের দুর্দিনে পাশে দাঁড়ালেন ছোটবেলার বন্ধু সচিন

মুম্বইয়ের ময়দান থেকে ভারতীয় ক্রিকেটের ড্রেসিংরুম— একসময় যাঁদের জুটি ছিল বিশ্ব ক্রিকেটের বিস্ময়, সেই সতীর্থ বিনোদ কাম্বলির কঠিন সময়ে আবারও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন সচিন তেন্ডুলকর। দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন কাম্বলি, তবে সম্প্রতি তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। এই প্রাক্তন বাঁহাতি ব্যাটারকে সাহায্য করার জন্য প্রাক্তন ক্রিকেটারদের নিয়ে একটি বিশেষ হোয়াট্‌সঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে, যেখানে সক্রিয়ভাবে যোগ দিয়েছেন সচিন নিজেও। কাম্বলির দীর্ঘদিনের বন্ধু মার্কাস কুটো জানিয়েছেন, এর আগেও সচিন বারংবার কাম্বলির পাশে দাঁড়িয়েছেন, যদিও প্রচারের আড়ালে থাকতেই পছন্দ করেন মাস্টার ব্লাস্টার।

চিকিৎসকদের মতে, কাম্বলির মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধেছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাঁর স্মৃতিশক্তি ক্রমশ লোপ পাচ্ছে এবং শারীরিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। বিখ্যাত নিউরোসার্জন আদিল চাগলা জানিয়েছেন, কাম্বলি মদ্যপান ছেড়ে দিলেও তাঁর ধূমপানের নেশা বিপদ আরও বাড়াচ্ছে। অনেক সময় রাস্তায় অটোচালক বা পথচারীদের কাছে সিগারেট চেয়ে ফেলছেন তিনি, আর সাধারণ মানুষ প্রিয় তারকাকে সাহায্য করতে গিয়ে অজান্তেই তাঁর স্বাস্থ্যের চরম ক্ষতি করছেন। বর্তমানে তাঁর যা শারীরিক অবস্থা, তাতে তড়িঘড়ি অস্ত্রোপচার করাও সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ভারতের হয়ে ১৭টি টেস্ট এবং ১০৪টি একদিনের ম্যাচ খেলা এই প্রতিভাবান ক্রিকেটারের জীবন এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। একসময় ভারতের সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিমান ব্যাটার হিসেবে পরিচিত কাম্বলি তাঁর ৯ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে বহু রেকর্ড গড়েছিলেন। কিন্তু উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাত্রা তাঁকে ক্রিকেট ও সুস্থ জীবন থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। বর্তমানে আর্থিক ও শারীরিক— দুই দিক থেকেই বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে কাম্বলি। তবে এই দুর্দিনেও মার্কাস কুটোর মতো বন্ধুরা এবং সচিন তেন্ডুলকরের মতো সতীর্থরা যেভাবে জোটবদ্ধ হয়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা এক অনন্য বন্ধুত্বের নজির হয়ে রইল।

বিষয় : IndianCricket vinodkambli sachintendulkar

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


লড়াই চলছে কাম্বলির, সতীর্থের দুর্দিনে পাশে দাঁড়ালেন ছোটবেলার বন্ধু সচিন

প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
মুম্বইয়ের ময়দান থেকে ভারতীয় ক্রিকেটের ড্রেসিংরুম— একসময় যাঁদের জুটি ছিল বিশ্ব ক্রিকেটের বিস্ময়, সেই সতীর্থ বিনোদ কাম্বলির কঠিন সময়ে আবারও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন সচিন তেন্ডুলকর। দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন কাম্বলি, তবে সম্প্রতি তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। এই প্রাক্তন বাঁহাতি ব্যাটারকে সাহায্য করার জন্য প্রাক্তন ক্রিকেটারদের নিয়ে একটি বিশেষ হোয়াট্‌সঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে, যেখানে সক্রিয়ভাবে যোগ দিয়েছেন সচিন নিজেও। কাম্বলির দীর্ঘদিনের বন্ধু মার্কাস কুটো জানিয়েছেন, এর আগেও সচিন বারংবার কাম্বলির পাশে দাঁড়িয়েছেন, যদিও প্রচারের আড়ালে থাকতেই পছন্দ করেন মাস্টার ব্লাস্টার।চিকিৎসকদের মতে, কাম্বলির মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধেছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাঁর স্মৃতিশক্তি ক্রমশ লোপ পাচ্ছে এবং শারীরিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। বিখ্যাত নিউরোসার্জন আদিল চাগলা জানিয়েছেন, কাম্বলি মদ্যপান ছেড়ে দিলেও তাঁর ধূমপানের নেশা বিপদ আরও বাড়াচ্ছে। অনেক সময় রাস্তায় অটোচালক বা পথচারীদের কাছে সিগারেট চেয়ে ফেলছেন তিনি, আর সাধারণ মানুষ প্রিয় তারকাকে সাহায্য করতে গিয়ে অজান্তেই তাঁর স্বাস্থ্যের চরম ক্ষতি করছেন। বর্তমানে তাঁর যা শারীরিক অবস্থা, তাতে তড়িঘড়ি অস্ত্রোপচার করাও সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।ভারতের হয়ে ১৭টি টেস্ট এবং ১০৪টি একদিনের ম্যাচ খেলা এই প্রতিভাবান ক্রিকেটারের জীবন এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। একসময় ভারতের সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিমান ব্যাটার হিসেবে পরিচিত কাম্বলি তাঁর ৯ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে বহু রেকর্ড গড়েছিলেন। কিন্তু উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাত্রা তাঁকে ক্রিকেট ও সুস্থ জীবন থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। বর্তমানে আর্থিক ও শারীরিক— দুই দিক থেকেই বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে কাম্বলি। তবে এই দুর্দিনেও মার্কাস কুটোর মতো বন্ধুরা এবং সচিন তেন্ডুলকরের মতো সতীর্থরা যেভাবে জোটবদ্ধ হয়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা এক অনন্য বন্ধুত্বের নজির হয়ে রইল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার