Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

যুদ্ধের আঁচে এবার পুড়ছে ওষুধের বাজার! ক্যানসার ও জীবনদায়ী ওষুধের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে চূড়ান্ত দুশ্চিন্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
যুদ্ধের আঁচে এবার পুড়ছে ওষুধের বাজার! ক্যানসার ও জীবনদায়ী ওষুধের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে চূড়ান্ত দুশ্চিন্তা
প্রতীকী ছবি

পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে বর্তমানে দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চললেও, যুদ্ধের সুদূরপ্রসারী প্রভাব এবার সরাসরি সাধারণ মানুষের পকেটে আঘাত হানতে চলেছে। বিশ্ববাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড়সড় বিপর্যয়ের জেরে এবার ক্যানসারসহ একাধিক জীবনদায়ী ওষুধের দাম বাড়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ওষুধ তৈরির কাঁচামাল বা 'সলভেন্ট'-এর তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় জীবনদায়ী ওষুধের উৎপাদন খরচ এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ফলে ওষুধের পর্যাপ্ত যোগান বজায় রাখতে সরকার সাময়িকভাবে মূল্যবৃদ্ধির মতো কঠোর পথে হাঁটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যানসারের ওষুধ থেকে শুরু করে নিয়মিত ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ও বিভিন্ন ইনজেকশনের দাম ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। জীবনদায়ী ওষুধের ক্ষেত্রে এই মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগের হলেও, স্বস্তির খবর এই যে সরকার একে স্থায়ী করার পক্ষপাতী নয়। সূত্রের খবর, অন্তত আগামী তিন মাসের জন্য এই নতুন দাম কার্যকর করার কথা ভাবা হচ্ছে। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ফের সচল হলে ওষুধের দাম আগের পর্যায়ে ফিরিয়ে আনা হবে। মূলত উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসা অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস থেকেই ওষুধ তৈরির প্রয়োজনীয় রাসায়নিক 'সলভেন্ট' পাওয়া যায়। কিন্তু যুদ্ধের জেরে এই রাসায়নিকের ঘাটতি এখন চরমে।

এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের পেছনে একটি বড় প্রযুক্তিগত জটিলতাও কাজ করছে। যদি এখনই চড়া দামে নতুন ওষুধ উৎপাদন শুরু হয়, তবে তিন মাস পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুরনো উচ্চমূল্যের মজুত ওষুধগুলি নিয়ে কী করা হবে, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে সংশ্লিষ্ট মহল। খুব দ্রুতই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য হলো, দাম কিছুটা বাড়লেও বাজারে যেন কোনোভাবেই প্রয়োজনীয় জীবনদায়ী ওষুধের আকাল না দেখা দেয়। আপাতত যুদ্ধের মেঘ কাটলে তবেই ওষুধের বাজার ফের কবে স্থিতিশীল হবে, সেই দিকেই তাকিয়ে রোগী ও তাঁদের পরিবার।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


যুদ্ধের আঁচে এবার পুড়ছে ওষুধের বাজার! ক্যানসার ও জীবনদায়ী ওষুধের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে চূড়ান্ত দুশ্চিন্তা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে বর্তমানে দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চললেও, যুদ্ধের সুদূরপ্রসারী প্রভাব এবার সরাসরি সাধারণ মানুষের পকেটে আঘাত হানতে চলেছে। বিশ্ববাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড়সড় বিপর্যয়ের জেরে এবার ক্যানসারসহ একাধিক জীবনদায়ী ওষুধের দাম বাড়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ওষুধ তৈরির কাঁচামাল বা 'সলভেন্ট'-এর তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় জীবনদায়ী ওষুধের উৎপাদন খরচ এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ফলে ওষুধের পর্যাপ্ত যোগান বজায় রাখতে সরকার সাময়িকভাবে মূল্যবৃদ্ধির মতো কঠোর পথে হাঁটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যানসারের ওষুধ থেকে শুরু করে নিয়মিত ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ও বিভিন্ন ইনজেকশনের দাম ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। জীবনদায়ী ওষুধের ক্ষেত্রে এই মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগের হলেও, স্বস্তির খবর এই যে সরকার একে স্থায়ী করার পক্ষপাতী নয়। সূত্রের খবর, অন্তত আগামী তিন মাসের জন্য এই নতুন দাম কার্যকর করার কথা ভাবা হচ্ছে। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ফের সচল হলে ওষুধের দাম আগের পর্যায়ে ফিরিয়ে আনা হবে। মূলত উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসা অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস থেকেই ওষুধ তৈরির প্রয়োজনীয় রাসায়নিক 'সলভেন্ট' পাওয়া যায়। কিন্তু যুদ্ধের জেরে এই রাসায়নিকের ঘাটতি এখন চরমে।এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের পেছনে একটি বড় প্রযুক্তিগত জটিলতাও কাজ করছে। যদি এখনই চড়া দামে নতুন ওষুধ উৎপাদন শুরু হয়, তবে তিন মাস পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুরনো উচ্চমূল্যের মজুত ওষুধগুলি নিয়ে কী করা হবে, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে সংশ্লিষ্ট মহল। খুব দ্রুতই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য হলো, দাম কিছুটা বাড়লেও বাজারে যেন কোনোভাবেই প্রয়োজনীয় জীবনদায়ী ওষুধের আকাল না দেখা দেয়। আপাতত যুদ্ধের মেঘ কাটলে তবেই ওষুধের বাজার ফের কবে স্থিতিশীল হবে, সেই দিকেই তাকিয়ে রোগী ও তাঁদের পরিবার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার