Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ম্যারাথন তল্লাশির পর ইডির জালে বেহালার ব্যবসায়ী, সোনা পাপ্পু কাণ্ডে সিজিও-তে নিয়ে যাওয়া হলো জয় কামদারকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ম্যারাথন তল্লাশির পর ইডির জালে বেহালার ব্যবসায়ী, সোনা পাপ্পু কাণ্ডে সিজিও-তে নিয়ে যাওয়া হলো জয় কামদারকে
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতা: রবিবার ছুটির দিনে সকাল থেকেই খাস কলকাতায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের মেগা অ্যাকশন। বেহালার পর্ণশ্রী এলাকায় প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত প্রভাবশালী ব্যবসায়ী জয় কামদারের বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানোর পর তাঁকে আটক করল ইডি।


 আর্থিক তছরুপের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এদিন তাঁকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিন ভোরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে যখন ইডি আধিকারিকেরা জয়ের বাড়িতে পৌঁছান, তখন পরিস্থিতি বেশ নাটকীয় হয়ে ওঠে। অভিযোগ, বারবার ডাকাডাকি সত্ত্বেও দীর্ঘক্ষণ বাড়ির দরজা খোলা হয়নি। বেশ কিছুক্ষণ বাইরে অপেক্ষার পর শেষমেশ দরজা খোলা হলে ভিতরে প্রবেশ করেন তদন্তকারীরা। কয়েক ঘণ্টার তল্লাশি ও নথিপত্র খতিয়ে দেখার পরেই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা।


তদন্তকারী সূত্রে খবর, কসবার বিতর্কিত ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে সাম্প্রতিক তল্লাশিতেই জয় কামদারের নাম উঠে আসে। সোনা পাপ্পু বর্তমানে ফেরার থাকলেও তাঁর সঙ্গে জয়ের ঘনিষ্ঠ আর্থিক লেনদেনের ইঙ্গিত পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এর আগেও জয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল এবং দু-বার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। বারবার কেন্দ্রীয় সংস্থার সমন এড়িয়ে যাওয়ার কারণেই এদিন সরাসরি তাঁর বাড়িতে হানা দেয় ইডি। স্থানীয়দের দাবি, জয় এলাকায় বড় মাপের প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁর প্রভাব প্রতিপত্তিও যথেষ্ট।


শুধু বেহালাই নয়, সোনা পাপ্পু মামলার সূত্র ধরে এদিন বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের বাড়িতেও ঝোড়ো তল্লাশি চালায় ইডি। শান্তনু একসময় কালীঘাট থানার ওসির দায়িত্বে ছিলেন। ফলে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তার পাশাপাশি প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর বাড়িতে এই জোড়া হানা শহরের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ইডি আধিকারিকদের মতে, সোনা পাপ্পু মামলার জাল অনেক গভীরে বিস্তৃত এবং এই চক্রের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ কালো টাকা সাদা করা হয়েছে কি না, তা জয় কামদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে সিজিও কমপ্লেক্সে তাঁকে জেরা করে নতুন কোনো তথ্যের হদিশ পাওয়া যায় কি না, এখন সেটাই দেখার।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : Money Laundering KolkataNews CRIMEUPDATE EDRaid sonapappu JOYKAMDAR

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ম্যারাথন তল্লাশির পর ইডির জালে বেহালার ব্যবসায়ী, সোনা পাপ্পু কাণ্ডে সিজিও-তে নিয়ে যাওয়া হলো জয় কামদারকে

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কলকাতা: রবিবার ছুটির দিনে সকাল থেকেই খাস কলকাতায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের মেগা অ্যাকশন। বেহালার পর্ণশ্রী এলাকায় প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত প্রভাবশালী ব্যবসায়ী জয় কামদারের বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানোর পর তাঁকে আটক করল ইডি। আর্থিক তছরুপের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এদিন তাঁকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিন ভোরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে যখন ইডি আধিকারিকেরা জয়ের বাড়িতে পৌঁছান, তখন পরিস্থিতি বেশ নাটকীয় হয়ে ওঠে। অভিযোগ, বারবার ডাকাডাকি সত্ত্বেও দীর্ঘক্ষণ বাড়ির দরজা খোলা হয়নি। বেশ কিছুক্ষণ বাইরে অপেক্ষার পর শেষমেশ দরজা খোলা হলে ভিতরে প্রবেশ করেন তদন্তকারীরা। কয়েক ঘণ্টার তল্লাশি ও নথিপত্র খতিয়ে দেখার পরেই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা।তদন্তকারী সূত্রে খবর, কসবার বিতর্কিত ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে সাম্প্রতিক তল্লাশিতেই জয় কামদারের নাম উঠে আসে। সোনা পাপ্পু বর্তমানে ফেরার থাকলেও তাঁর সঙ্গে জয়ের ঘনিষ্ঠ আর্থিক লেনদেনের ইঙ্গিত পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এর আগেও জয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল এবং দু-বার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। বারবার কেন্দ্রীয় সংস্থার সমন এড়িয়ে যাওয়ার কারণেই এদিন সরাসরি তাঁর বাড়িতে হানা দেয় ইডি। স্থানীয়দের দাবি, জয় এলাকায় বড় মাপের প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁর প্রভাব প্রতিপত্তিও যথেষ্ট।শুধু বেহালাই নয়, সোনা পাপ্পু মামলার সূত্র ধরে এদিন বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের বাড়িতেও ঝোড়ো তল্লাশি চালায় ইডি। শান্তনু একসময় কালীঘাট থানার ওসির দায়িত্বে ছিলেন। ফলে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তার পাশাপাশি প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর বাড়িতে এই জোড়া হানা শহরের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ইডি আধিকারিকদের মতে, সোনা পাপ্পু মামলার জাল অনেক গভীরে বিস্তৃত এবং এই চক্রের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ কালো টাকা সাদা করা হয়েছে কি না, তা জয় কামদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে সিজিও কমপ্লেক্সে তাঁকে জেরা করে নতুন কোনো তথ্যের হদিশ পাওয়া যায় কি না, এখন সেটাই দেখার।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার