Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

হেরিটেজ রক্ষায় কঠোর বিশ্বভারতী! শান্তিনিকেতনে ভুয়ো গাইড ও হকারদের দৌরাত্ম্য রুখতে কড়া নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
হেরিটেজ রক্ষায় কঠোর বিশ্বভারতী! শান্তিনিকেতনে ভুয়ো গাইড ও হকারদের দৌরাত্ম্য রুখতে কড়া নিষেধাজ্ঞা
প্রতীকী ছবি

শান্তিনিকেতন: বিশ্ব ঐতিহ্য দিবসের পুণ্য লগ্নে শান্তিনিকেতনের গরিমা ও সঠিক ইতিহাস রক্ষায় একগুচ্ছ কড়া পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল যে, আশ্রম এলাকায় একদল স্বঘোষিত গাইড পর্যটকদের কাছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তৈরি এই প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্যবাহী ভাস্কর্য ও স্থাপনা সম্পর্কে ভুল এবং মনগড়া তথ্য পরিবেশন করছেন।


 এই ধরনের ভ্রান্ত তথ্য সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় পর্যটকরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন এবং শান্তিনিকেতনের প্রকৃত ঐতিহ্য সম্পর্কে জনমানসে ভুল ধারণা তৈরি হচ্ছে। এই বিশৃঙ্খলা রুখতে শনিবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, এবার থেকে আশ্রম এলাকায় ভুয়ো গাইডদের প্রবেশ ও হকারদের দৌরাত্ম্য বরদাস্ত করা হবে না। পর্যটকদের সুবিধার্থে স্বঘোষিত গাইডদের বয়কট করার বার্তাও দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।


বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে, শান্তিনিকেতন পোস্ট অফিস থেকে সঙ্গীত ভবন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটিতে এখন থেকে সমস্ত ধরণের হকারি এবং যত্রতত্র পার্কিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ওই নির্দিষ্ট রুটে টোটোর অবাধ চলাচল ও গাইডদের জটলার ফলে তৈরি হওয়া তীব্র যানজট পর্যটক ও পথচারীদের চলাচলে ব্যাপক সমস্যা সৃষ্টি করছিল। সেই বিশৃঙ্খলা দূর করতেই এই কঠোর অবস্থান নিল কর্তৃপক্ষ। 


উল্লেখ্য, গত বছর থেকে শুরু হওয়া ৩০০ টাকার বিনিময়ে ‘হেরিটেজ ওয়াক’ নিয়ে নানা অভিযোগ থাকলেও, এবার ভুল তথ্যের প্রচার রুখতে সরাসরি অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঐতিহ্যের নামে কোনোভাবেই বিকৃত ইতিহাস প্রচার করতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।


এদিন বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস উপলক্ষে বিশ্বভারতীর কলা ভবনে ‘নন্দন’-এ একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। আলোচনা সভায় শান্তিনিকেতনের হেরিটেজ মর্যাদা বজায় রাখা এবং পর্যটকদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। কর্তৃপক্ষের এই নতুন নির্দেশিকা বলবৎ হওয়ার পর আশ্রম এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরবে এবং পর্যটকরা কোনো বিভ্রান্তি ছাড়াই বিশ্বভারতীর প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বিষয় : SHANTINIKETAN visvabharati worldheritageday bengaltourism heritagewalk

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


হেরিটেজ রক্ষায় কঠোর বিশ্বভারতী! শান্তিনিকেতনে ভুয়ো গাইড ও হকারদের দৌরাত্ম্য রুখতে কড়া নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
শান্তিনিকেতন: বিশ্ব ঐতিহ্য দিবসের পুণ্য লগ্নে শান্তিনিকেতনের গরিমা ও সঠিক ইতিহাস রক্ষায় একগুচ্ছ কড়া পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল যে, আশ্রম এলাকায় একদল স্বঘোষিত গাইড পর্যটকদের কাছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তৈরি এই প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্যবাহী ভাস্কর্য ও স্থাপনা সম্পর্কে ভুল এবং মনগড়া তথ্য পরিবেশন করছেন। এই ধরনের ভ্রান্ত তথ্য সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় পর্যটকরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন এবং শান্তিনিকেতনের প্রকৃত ঐতিহ্য সম্পর্কে জনমানসে ভুল ধারণা তৈরি হচ্ছে। এই বিশৃঙ্খলা রুখতে শনিবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, এবার থেকে আশ্রম এলাকায় ভুয়ো গাইডদের প্রবেশ ও হকারদের দৌরাত্ম্য বরদাস্ত করা হবে না। পর্যটকদের সুবিধার্থে স্বঘোষিত গাইডদের বয়কট করার বার্তাও দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে, শান্তিনিকেতন পোস্ট অফিস থেকে সঙ্গীত ভবন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটিতে এখন থেকে সমস্ত ধরণের হকারি এবং যত্রতত্র পার্কিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ওই নির্দিষ্ট রুটে টোটোর অবাধ চলাচল ও গাইডদের জটলার ফলে তৈরি হওয়া তীব্র যানজট পর্যটক ও পথচারীদের চলাচলে ব্যাপক সমস্যা সৃষ্টি করছিল। সেই বিশৃঙ্খলা দূর করতেই এই কঠোর অবস্থান নিল কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, গত বছর থেকে শুরু হওয়া ৩০০ টাকার বিনিময়ে ‘হেরিটেজ ওয়াক’ নিয়ে নানা অভিযোগ থাকলেও, এবার ভুল তথ্যের প্রচার রুখতে সরাসরি অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঐতিহ্যের নামে কোনোভাবেই বিকৃত ইতিহাস প্রচার করতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।এদিন বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস উপলক্ষে বিশ্বভারতীর কলা ভবনে ‘নন্দন’-এ একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। আলোচনা সভায় শান্তিনিকেতনের হেরিটেজ মর্যাদা বজায় রাখা এবং পর্যটকদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। কর্তৃপক্ষের এই নতুন নির্দেশিকা বলবৎ হওয়ার পর আশ্রম এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরবে এবং পর্যটকরা কোনো বিভ্রান্তি ছাড়াই বিশ্বভারতীর প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার