Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পুলিশকর্তার ফ্ল্যাটের টাকা জুগিয়েছেন ব্যবসায়ী? ৮ দিনের ইডি হেফাজতে জয়, ঘেরাটোপে ডিসি শান্তনুও!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
পুলিশকর্তার ফ্ল্যাটের টাকা জুগিয়েছেন ব্যবসায়ী? ৮ দিনের ইডি হেফাজতে জয়, ঘেরাটোপে ডিসি শান্তনুও!
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: দুষ্কৃতী থেকে প্রভাবশালী পুলিশ কর্তা - দুর্নীতির জাল ছড়িয়ে বহুদূর! বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারকে গ্রেফতার করার পর এবার চাঞ্চল্যকর দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ইডির অভিযোগ, কুখ্যাত দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পু থেকে শুরু করে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের সঙ্গেও রয়েছে এই ব্যবসায়ীর গভীর আর্থিক লেনদেন। সোমবার ধৃত জয়কে ৮ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠাল ব্যাঙ্কশাল আদালত।


এদিন আদালতে ইডির আইনজীবী অভিযোগ করেন, জয়ের সঙ্গে দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পুর যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। তবে, সবচেয়ে বড় চমক ছিল কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের নাম এই মামলায় সামনে আসা। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, ডিসি শান্তনুর পুত্র জয়ের একটি সংস্থা থেকে দু’টি ফ্ল্যাট কেনার জন্য বড় অঙ্কের টাকা নিয়েছেন! দেড় কোটিরও বেশি টাকার এই সন্দেহজনক লেনদেন আদতে দুর্নীতির কালো টাকা বলেই মনে করছে ইডি।


রবিবার গ্রেফতারির পর অসুস্থ হয়ে আর জি কর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন জয়। সোমবার চিকিৎসকদের ছাড়পত্র মেলায় তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতের আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত যুক্তি দেন, পুলিশের চার্জশিটে জয়ের নাম নেই।


পাল্টা ইডির আইনজীবী সওয়াল করেন, "চার্জশিটে নাম না থাকা মানেই যে দুর্নীতির টাকা নেই, এমনটা নয়। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই তদন্ত চলছে এবং এই চক্রের গভীরে যাওয়া প্রয়োজন।" দু’পক্ষের সওয়াল শোনার পর আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে জয়কে আগামী আটদিনের জন্য ইডি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।


ইডির নজরে এখন ওই প্রভাবশালী পুলিশ কর্তা ও তাঁর পরিবারের সম্পত্তির খতিয়ান। একজন ব্যবসায়ীর মাধ্যমে কীভাবে এই লেনদেন চলত এবং এর পিছনে আর কোনও বড় মাথার যোগ আছে কিনা, তা জানতে জয়কে জেরা করতে মরিয়া তদন্তকারীরা। অন্যদিকে, গোটা ঘটনায় এক ডিসি পদমর্যাদার অফিসারের নাম জড়ানোয় লালবাজারের অন্দরেও শুরু হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য।

বিষয় : Money Laundering KOLKATAPOLICE EDRaid CUSTODY CORRUPTIONCASE JAYKAMDAR

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


পুলিশকর্তার ফ্ল্যাটের টাকা জুগিয়েছেন ব্যবসায়ী? ৮ দিনের ইডি হেফাজতে জয়, ঘেরাটোপে ডিসি শান্তনুও!

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কলকাতা: দুষ্কৃতী থেকে প্রভাবশালী পুলিশ কর্তা - দুর্নীতির জাল ছড়িয়ে বহুদূর! বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারকে গ্রেফতার করার পর এবার চাঞ্চল্যকর দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ইডির অভিযোগ, কুখ্যাত দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পু থেকে শুরু করে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের সঙ্গেও রয়েছে এই ব্যবসায়ীর গভীর আর্থিক লেনদেন। সোমবার ধৃত জয়কে ৮ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠাল ব্যাঙ্কশাল আদালত।এদিন আদালতে ইডির আইনজীবী অভিযোগ করেন, জয়ের সঙ্গে দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পুর যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। তবে, সবচেয়ে বড় চমক ছিল কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের নাম এই মামলায় সামনে আসা। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, ডিসি শান্তনুর পুত্র জয়ের একটি সংস্থা থেকে দু’টি ফ্ল্যাট কেনার জন্য বড় অঙ্কের টাকা নিয়েছেন! দেড় কোটিরও বেশি টাকার এই সন্দেহজনক লেনদেন আদতে দুর্নীতির কালো টাকা বলেই মনে করছে ইডি।রবিবার গ্রেফতারির পর অসুস্থ হয়ে আর জি কর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন জয়। সোমবার চিকিৎসকদের ছাড়পত্র মেলায় তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতের আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত যুক্তি দেন, পুলিশের চার্জশিটে জয়ের নাম নেই।পাল্টা ইডির আইনজীবী সওয়াল করেন, "চার্জশিটে নাম না থাকা মানেই যে দুর্নীতির টাকা নেই, এমনটা নয়। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই তদন্ত চলছে এবং এই চক্রের গভীরে যাওয়া প্রয়োজন।" দু’পক্ষের সওয়াল শোনার পর আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে জয়কে আগামী আটদিনের জন্য ইডি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।ইডির নজরে এখন ওই প্রভাবশালী পুলিশ কর্তা ও তাঁর পরিবারের সম্পত্তির খতিয়ান। একজন ব্যবসায়ীর মাধ্যমে কীভাবে এই লেনদেন চলত এবং এর পিছনে আর কোনও বড় মাথার যোগ আছে কিনা, তা জানতে জয়কে জেরা করতে মরিয়া তদন্তকারীরা। অন্যদিকে, গোটা ঘটনায় এক ডিসি পদমর্যাদার অফিসারের নাম জড়ানোয় লালবাজারের অন্দরেও শুরু হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার