Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভোটের ডিউটিতে বাদ সিভিক ভলান্টিয়াররা, তিনদিন আগেই পাঠাতে হবে পুলিশ লাইনে!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
ভোটের ডিউটিতে বাদ সিভিক ভলান্টিয়াররা, তিনদিন আগেই পাঠাতে হবে পুলিশ লাইনে!
AI GENERATED IMAGE

কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ রাখতে আবারও বড়সড় পদক্ষেপ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সোমবার একটি নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সিভিক ভলান্টিয়ার, ভিলেজ পুলিশ বা গ্রিন পুলিশকে কোনওভাবেই নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। শুধু তাই নয়, ভোটগ্রহণের তিনদিন আগেই তাঁদের এলাকা থেকে সরিয়ে ‘রিজার্ভ পুলিশ লাইনে’ পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবারের বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন স্পষ্ট করেছে, রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়ার বাহিনীকে ভোটের সময় সাধারণ ডিউটি থেকেও দূরে রাখতে হবে! নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের তিনদিন আগে রাজ্যের সমস্ত সিভিক ভলান্টিয়ারকে রিজার্ভ পুলিশ লাইনে রিপোর্ট করতে হবে। নির্বাচন চলাকালীন তাঁরা কোনওভাবেই বুথ সামলানো, টহল দেওয়া বা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। রিজার্ভ লাইনে থাকাকালীন তাঁরা কেবল অ-নির্বাচনমূলক (যেমন ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ বা অফিসের কাজ) দায়িত্ব পালন করবেন। তবে, সিভিক ভলান্টিয়াররা নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। কমিশন জানিয়েছে, সাধারণ নাগরিক হিসাবে ইউনিফর্ম ছাড়া সাধারণ পোশাকে তাঁরা ভোট দিতে যেতে পারবেন।


রাজ্য পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে ১ লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি সিভিক ভলান্টিয়ার রয়েছেন। কলকাতা এবং জেলা পুলিশের থানাগুলিতে ট্রাফিক সামলানো থেকে শুরু করে টহলদারিতে এই বাহিনীর উপর পুলিশ অনেকাংশেই নির্ভরশীল। এখন ভোটের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই বিশাল সংখ্যক কর্মীকে মূল কাজ থেকে সরিয়ে নেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক সামলাতে পুলিশ প্রশাসনকে যথেষ্ট বেগ পেতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।


অতীতে পঞ্চায়েত বা অন্যান্য নির্বাচনে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা নিয়ে বিরোধী দলগুলি বারবার নিরপেক্ষতার প্রশ্ন তুলেছিল। মনে করা হচ্ছে, সেই বিতর্ক এড়াতেই এবং ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতেই সিভিকদের পুরোপুরি ব্রাত্য রাখার সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।

প্রথম দফার ভোটের ঠিক আগে কমিশনের এই ‘সাঁড়াশি’ চাপ রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


ভোটের ডিউটিতে বাদ সিভিক ভলান্টিয়াররা, তিনদিন আগেই পাঠাতে হবে পুলিশ লাইনে!

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ রাখতে আবারও বড়সড় পদক্ষেপ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সোমবার একটি নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সিভিক ভলান্টিয়ার, ভিলেজ পুলিশ বা গ্রিন পুলিশকে কোনওভাবেই নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। শুধু তাই নয়, ভোটগ্রহণের তিনদিন আগেই তাঁদের এলাকা থেকে সরিয়ে ‘রিজার্ভ পুলিশ লাইনে’ পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সোমবারের বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন স্পষ্ট করেছে, রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়ার বাহিনীকে ভোটের সময় সাধারণ ডিউটি থেকেও দূরে রাখতে হবে! নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের তিনদিন আগে রাজ্যের সমস্ত সিভিক ভলান্টিয়ারকে রিজার্ভ পুলিশ লাইনে রিপোর্ট করতে হবে। নির্বাচন চলাকালীন তাঁরা কোনওভাবেই বুথ সামলানো, টহল দেওয়া বা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। রিজার্ভ লাইনে থাকাকালীন তাঁরা কেবল অ-নির্বাচনমূলক (যেমন ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ বা অফিসের কাজ) দায়িত্ব পালন করবেন। তবে, সিভিক ভলান্টিয়াররা নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। কমিশন জানিয়েছে, সাধারণ নাগরিক হিসাবে ইউনিফর্ম ছাড়া সাধারণ পোশাকে তাঁরা ভোট দিতে যেতে পারবেন।রাজ্য পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে ১ লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি সিভিক ভলান্টিয়ার রয়েছেন। কলকাতা এবং জেলা পুলিশের থানাগুলিতে ট্রাফিক সামলানো থেকে শুরু করে টহলদারিতে এই বাহিনীর উপর পুলিশ অনেকাংশেই নির্ভরশীল। এখন ভোটের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই বিশাল সংখ্যক কর্মীকে মূল কাজ থেকে সরিয়ে নেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক সামলাতে পুলিশ প্রশাসনকে যথেষ্ট বেগ পেতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।অতীতে পঞ্চায়েত বা অন্যান্য নির্বাচনে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা নিয়ে বিরোধী দলগুলি বারবার নিরপেক্ষতার প্রশ্ন তুলেছিল। মনে করা হচ্ছে, সেই বিতর্ক এড়াতেই এবং ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতেই সিভিকদের পুরোপুরি ব্রাত্য রাখার সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।প্রথম দফার ভোটের ঠিক আগে কমিশনের এই ‘সাঁড়াশি’ চাপ রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার