চেন্নাই: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আবহেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে আক্রমণ করে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। মঙ্গলবার তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে ডিএমকে-কংগ্রেস জোটের সমর্থনে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভার মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এই নজিরবিহীন তোপ দাগেন তিনি।
এদিন এআইএডিএমকে (AIADMK) এবং বিজেপির জোটকে লক্ষ্য করে খাড়গে প্রশ্ন তোলেন, “ওরা কীভাবে মোদির সঙ্গে যোগ দিতে পারে? তিনি একজন সন্ত্রাসবাদী। তিনি সমতায় বিশ্বাস করেন না।” খাড়গের অভিযোগ, বিজেপি এবং তাদের সঙ্গীরা আম্বেদকর ও পেরিয়ারের আদর্শ বিসর্জন দিয়ে গণতন্ত্র দুর্বল করছে।
কংগ্রেস সভাপতির এই মন্তব্যের পরই রণংদেহি মেজাজে আসরে নামে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলা মানে দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অপমান করা। বিজেপি নেতৃত্ব অবিলম্বে খাড়গে এবং তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম.কে. স্ট্যালিনকে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।
বিতর্ক দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়তেই অবশ্য সাফাই দিতে ময়দানে নামেন খাড়গে। চাপের মুখে পড়ে তিনি নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “আমি সরাসরি তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলিনি। আমি বলতে চেয়েছি, তিনি ইডি, সিবিআই এবং আয়কর দফতরের মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষকে সন্ত্রস্ত করে তুলছেন। তিনি সবসময় হুমকি দেন, তাই আমি ওই শব্দটি ব্যবহার করেছি।”
আগামী ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনে একদফায় ভোটগ্রহণ। তার আগে খাড়গের এই ‘সন্ত্রাসবাদী’ মন্তব্য কি দক্ষিণের ভোটে কংগ্রেসের পালে হাওয়া দেবে, নাকি বুমেরাং হয়ে বিজেপির সুবিধা করে দেবে - তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন