কলকাতা: বিধানসভা ভোটের আবহে বাইক আরোহীদের জন্য জারি করা হয়েছে কড়া বিধিনিষেধ। যার জেরে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে বড়সড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। মূলত, সেই যুক্তি সামনে রেখেই নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। বিচারপতি কৃষ্ণ রাও এই মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন। আগামী ২৩ এপ্রিল (প্রথম দফার ভোটের দিন), বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
ইতিমধ্যেই একটি বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানিয়েছে, ভোটের ঠিক দু’দিন আগে থেকে কোনওভাবেই বাইক মিছিল করা যাবে না। এছাড়াও নির্দিষ্ট কিছু নিয়মাবলী চাপানো হয়েছে। যেমন - ভোটের দু’দিন আগে থেকে সংশ্লিষ্ট বিধানসভাকেন্দ্রের অধীনস্ত এলাকাগুলিতে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানো গেলেও, বাইকের পিছনে কোনও আরোহী বা পিলিয়ন রাইডার বসতে পারবেন না। এছাড়াও, ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শুধুমাত্র ভোট দেওয়া বা জরুরি প্রয়োজনে বাইক বের করার অনুমতি মিলবে!
কমিশন অবশ্য এও স্পষ্ট করেছে যে - জরুরি পরিষেবা যেমন - চিকিৎসা, স্কুলপড়ুয়াদের আনা-নেওয়া বা পারিবারিক কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই নিয়ম শিথিল থাকবে। স্বস্তির খবর এই যে - অ্যাপভিত্তিক বাইক পরিষেবা এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে। তবে, এর বাইরে বিশেষ প্রয়োজনে বাইক চালাতে গেলে স্থানীয় থানার লিখিত অনুমতি নিতে হবে!
মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের নিত্যদিনের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম বাইক। পিলিয়ন রাইডার বা আরোহী বসানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করলে সাধারণ মানুষ চরম সমস্যায় পড়বে! তাই, কমিশনের এই সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারী। এখন দেখার, বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট এই নিষেধাজ্ঞার উর কোনও স্থগিতাদেশ দেয় কিনা!

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন