পুরুলিয়া: বিধানসভা ভোটের আবহেও ভোটকর্মীদের পেটপুজো যাতে ঠিকঠাক হয়, তার জন্য এবার কোমর বেঁধে নামল নির্বাচন কমিশন। শুধু খাবারের মেন্যু ঠিক করে দেওয়াই নয়, লাল চা থেকে শুরু করে মুরগির ঝোল - কোন খাবারের কত দাম হবে, তার একটি নির্দিষ্ট রেট চার্টও ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। ভোটকর্মীদের রসনাতৃপ্তির গুরুদায়িত্ব সামলাবেন বাংলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা।
কমিশনের তালিকা অনুযায়ী, সকালের খাবারে থাকছে মুড়ি-ঘুগনি (৩০ টাকা), সঙ্গে লাল চা (৬ টাকা) বা দুধ চা (৭ টাকা)। দুপুরের মেন্যুতে ভাত, ডাল, সবজি, আলু ভাজা, চাটনি ও পাঁপড় মিলবে ৬০ টাকায়। তবে, যদি পাতে এক পিস রুই মাছ চান, সেক্ষেত্রে গুনতে হবে ৯০ টাকা। আর ৩ পিস চিকেন সহ গোটা মিল কেনা যাবে ১১০ টাকায়। রাতের বেলা - রুটি (৫ টাকা), আলু পোস্ত (২৫ টাকা) কেনা যাবে। ডিম তরকা বা চিকেনও পাওয়া যাবে নির্দিষ্ট মূল্যে। এছাড়া, দই বড়া বা ইডলিও থাকছে তালিকায়।
পুরুলিয়া জেলা গ্রামোন্নয়ন সংস্থার তরফে এই খাদ্যতালিকা প্রকাশ করা হলেও জানা যাচ্ছে, জেলাভেদে এই দামের কিছুটা হেরফের হতে পারে। শুধু খাবার নয়, ভোটকর্মীদের সাম্মানিকের ক্ষেত্রেও জেলায় জেলায় ফারাক দেখা গিয়েছে। যেমন -
পুরুলিয়া: প্রিসাইডিং অফিসার পাচ্ছেন ৩০২০ টাকা, ফার্স্ট পোলিং অফিসার ২১৭০ টাকা এবং বাকিরা ১৭৭০ টাকা।
হুগলি: এখানে অঙ্কটা কিছুটা বেশি। প্রিসাইডিং অফিসার পাচ্ছেন ৩৫৩০ টাকা এবং পোলিং অফিসাররা পাচ্ছেন যথাক্রমে ২৬৮০ ও ২১১০ টাকা।
বুথে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও চাইলে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাছ থেকে খাবার কিনতে পারবেন। যদিও নিয়ম অনুযায়ী তাদের খাবার সাধারণত সংশ্লিষ্ট কোম্পানির রাঁধুনিরাই তৈরি করে থাকেন। তবে, কমিশনের এই 'কন্ট্রোলড ডায়েট' চার্ট নিয়ে ইতিমধ্যেই ভোটকর্মীদের মধ্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সঠিক দামে মানসম্মত খাবার শেষ পর্যন্ত তাঁদের পাতে পড়ে কিনা, সেটাই এখন দেখার।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন