চণ্ডীগড়: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় 'বিভ্রান্তিকর ও আপত্তিকর' তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে বড়সড় বিপাকে পড়লেন বিশিষ্ট লেখিকা তথা বুদ্ধিজীবী মধু কিশওয়ার। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় এফআইআর দায়ের করেছে চণ্ডীগড় পুলিশ।
মধু কিশওয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে 'ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা' ও 'স্পেশ্যাল সার্ভিস'-কে গুরুত্ব দিয়েছেন। এমনকি হরদীপ সিং পুরী এবং এস জয়শঙ্করের মতো হেভিওয়েট মন্ত্রীদের নিয়োগ নিয়েও তিনি অত্যন্ত বিতর্কিত ও কুরুচিকর ইঙ্গিত দিয়েছেন। একজন সাংবিধানিক পদের অধিকারী ব্যক্তির সম্মানহানি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ১৯৬, ৩৩৬ (১) ও ৩৫৬ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
মধু কিশওয়ার নিজেই জানিয়েছেন, সোমবার রাতে চণ্ডীগড় পুলিশের একটি দল তাঁর বাড়িতে এফআইআর-এর নোটিস নিয়ে পৌঁছয়। তবে, সূর্যাস্তের পর মহিলাদের নোটিস দেওয়ার আইনি জটিলতার কারণে তিনি সশরীরে দেখা না করে ফোনে কথা বলেন। তিনি তদন্তে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
পুলিশের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র মধু কিশওয়ার নন, আরও একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার এই ধরনের মিথ্যা ও জাল ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়েছেন। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সুনাম নষ্ট করতে এবং জনমানসে বিভ্রান্তি ছড়াতে এই কাজ করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে মনে করছে পুলিশ। হরিয়ানার এক বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতেই শুরু হয়েছে এই আইনি প্রক্রিয়া।
একাধিক রাজ্যে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আবহে এই ঘটনা জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করল। বাকস্বাধীনতা নাকি শালীনতার সীমা লঙ্ঘন - কোন দিকে গড়াবে এই মামলা, এখন সেটাই দেখার।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন