রাজ্যে আজ প্রথম দফার ভোটগ্রহণের শুরু থেকেই চড়ছে রাজনীতির পারদ, আর পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রকৃতি-প্রদত্ত দাবদাহ। বৈশাখী গরমের দাপটে নাজেহাল আমজনতা ইতিমধ্যেই ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের জ্বালা সহ্য করছেন।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরমের তীব্রতা আরও বাড়বে, বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে বইতে পারে শুষ্ক লু। বৈশ্বিক আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাবে ‘সুপার এল নিনো’র ছায়া যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তার আঁচ মিলছে এবারের এপ্রিলের শুরু থেকেই। এমন পরিস্থিতিতে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা ভোটারদের পরামর্শ দিচ্ছেন দেরি না করে দ্রুত বুথে পৌঁছে ভোটদান সেরে ফেলার জন্য।
বৃষ্টির তেমন জোরালো সম্ভাবনা না থাকলেও বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার মতো জেলাগুলোতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যদিও উত্তরের জেলাগুলোতে কালবৈশাখীর হালকা সম্ভাবনা কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে, তবে দক্ষিণের জেলাগুলোতে ঘর্মাক্ত পরিস্থিতির হাত থেকে এখনই রেহাই নেই।
তীব্র রোদের মাঝে যারা আজ গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন, তাদের জন্য চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ—অবশ্যই সঙ্গে রাখুন জলের বোতল, ছাতা ও ওআরএস বা গ্লুকোজ। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম বা পশ্চিম বর্ধমানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও তাপমাত্রা কমার কোনও ইঙ্গিত নেই। বরং আগামী শনিবার থেকে উত্তরে বৃষ্টির দাপট বাড়লেও দক্ষিণের জেলাগুলোতে অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই ভোটের উত্তাপ আর প্রকৃতির উত্তাপ—এই দুই লড়াইয়ের মাঝে সুস্থ থাকাই এখন ভোটারদের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন