Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘অধিকার রক্ষার লড়াই!’ ৯০ শতাংশ ভোট পড়তেই মোদীকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ মমতার!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
‘অধিকার রক্ষার লড়াই!’ ৯০ শতাংশ ভোট পড়তেই মোদীকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ মমতার!
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় বাংলায় ভোটদানের হার সর্বকালীন রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পড়তেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। কেন এই বিপুল ভোটদান? বৃহস্পতিবার চৌরঙ্গির প্রচারসভা থেকে এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সরাসরি বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই ভোট স্রেফ সরকার গড়ার জন্য নয়, বরং বাংলার মানুষের ‘অস্তিত্ব রক্ষার’ লড়াই।


এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ভোটারতালিকা থেকে ব্যাপক হারে নাম কাটার (SIR) পরেও মানুষ যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বুথমুখী হয়েছেন, তার প্রধান কারণ হল এনআরসি (NRC) এবং ডিলিমিটেশন বিলের ভয়। মমতার কথায়, “মানুষ জানে তৃণমূলকে ভোট না দিলে আমও যাবে, ছালাও যাবে। তার অধিকার, সম্পত্তি, ব্যবসা— সব যাবে। বিজেপির এই চক্রান্তের বিরুদ্ধেই মানুষ আজ গর্জে উঠেছে।”


এদিন নদিয়ার কৃষ্ণনগরে সভা করতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দাবি করেছিলেন, বিপুল ভোটদানের অর্থ হল বিজেপির জয় নিশ্চিত। মোদীকে বিঁধে মমতার পাল্টা প্রশ্ন, “আপনি বলেন কী করে যে আপনিই জিতছেন? ভোট তো মানুষ দেবে! যত ভোট পড়ছে সব আপনার— এটা ভাবার ধৃষ্টতা আসে কোথা থেকে?”


প্রথম দফার রেকর্ড ভোটদান কি সত্যিই এনআরসি-র আশঙ্কায় অধিকার রক্ষার ভোট, নাকি মোদীর দাবি মতো পরিবর্তনের ডাক? ৪ মে-র ফলাফলেই মিলবে তার উত্তর।

বিষয় : Mamata Banerjee WESTBENGALELECTION WestBengalPolls PM MODI

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


‘অধিকার রক্ষার লড়াই!’ ৯০ শতাংশ ভোট পড়তেই মোদীকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ মমতার!

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় বাংলায় ভোটদানের হার সর্বকালীন রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পড়তেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। কেন এই বিপুল ভোটদান? বৃহস্পতিবার চৌরঙ্গির প্রচারসভা থেকে এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সরাসরি বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই ভোট স্রেফ সরকার গড়ার জন্য নয়, বরং বাংলার মানুষের ‘অস্তিত্ব রক্ষার’ লড়াই।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ভোটারতালিকা থেকে ব্যাপক হারে নাম কাটার (SIR) পরেও মানুষ যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বুথমুখী হয়েছেন, তার প্রধান কারণ হল এনআরসি (NRC) এবং ডিলিমিটেশন বিলের ভয়। মমতার কথায়, “মানুষ জানে তৃণমূলকে ভোট না দিলে আমও যাবে, ছালাও যাবে। তার অধিকার, সম্পত্তি, ব্যবসা— সব যাবে। বিজেপির এই চক্রান্তের বিরুদ্ধেই মানুষ আজ গর্জে উঠেছে।”এদিন নদিয়ার কৃষ্ণনগরে সভা করতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দাবি করেছিলেন, বিপুল ভোটদানের অর্থ হল বিজেপির জয় নিশ্চিত। মোদীকে বিঁধে মমতার পাল্টা প্রশ্ন, “আপনি বলেন কী করে যে আপনিই জিতছেন? ভোট তো মানুষ দেবে! যত ভোট পড়ছে সব আপনার— এটা ভাবার ধৃষ্টতা আসে কোথা থেকে?”প্রথম দফার রেকর্ড ভোটদান কি সত্যিই এনআরসি-র আশঙ্কায় অধিকার রক্ষার ভোট, নাকি মোদীর দাবি মতো পরিবর্তনের ডাক? ৪ মে-র ফলাফলেই মিলবে তার উত্তর।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার