Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ভোটের কাজে বাস দিয়েও মেলেনি অগ্রিম টাকা! বঞ্চনার অভিযোগে ক্ষুব্ধ বাস মালিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
ভোটের কাজে বাস দিয়েও মেলেনি অগ্রিম টাকা! বঞ্চনার অভিযোগে ক্ষুব্ধ বাস মালিকরা
প্রতীকী ছবি

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর মরসুমে ভোট কর্মীদের যাতায়াত ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে বেসরকারি বাস অন্যতম প্রধান ভরসা। কিন্তু সেই বাস দিয়েও এখন চরম বিপাকে পড়েছেন মালিকেরা। তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচনের কাজে ব্যবহারের জন্য বাসগুলি অধিগ্রহণ করা হলেও সরকার নির্ধারিত প্রয়োজনীয় অগ্রিম অর্থ এখনও তাঁদের হাতে পৌঁছায়নি। ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই দৈনিক ভাড়া ও কর্মীদের খোরাকি সংক্রান্ত বিষয়ে পরিবহণ দফতরের সঙ্গে আলোচনা চললেও, বাস্তবে অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ঢিলেমি দেখা দিয়েছে। এই আর্থিক বঞ্চনার প্রতিবাদে এবার সিইও অফিস ও পরিবহণ দফতরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সরব হয়েছে বাস মালিক সংগঠনগুলি।


সবচেয়ে বড় অভিযোগ উঠেছে জেলাভেদে অর্থ প্রদানের বৈষম্য নিয়ে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট মিটে গেলেও কলকাতা, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং মেদিনীপুরের মতো জেলার বাস মালিকেরা এখনও কানাকড়িও পাননি। অথচ হুগলি বা হাওড়ার মতো কিছু জেলায় অগ্রিম অর্থ পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই দ্বিচারিতার কারণে ছোট ও মাঝারি বাস মালিকদের পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকেছে। পকেট থেকে শ্রমিকদের বেতন ও গাড়ির ইএমআই (EMI) মেটাতে গিয়ে তাঁরা হিমশিম খাচ্ছেন। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগে ২৬ এপ্রিল থেকেই পুনরায় বাসগুলিকে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাস মালিক সংগঠনের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, অবিলম্বে বকেয়া অগ্রিম অর্থ না মেটালে পরিস্থিতির জটিলতা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে নির্বাচনী কাজে যানবাহন সরবরাহ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। এখন প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে পরিবহণ মহল।


পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর মরসুমে ভোট কর্মীদের যাতায়াত ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে বেসরকারি বাস অন্যতম প্রধান ভরসা। কিন্তু সেই বাস দিয়েও এখন চরম বিপাকে পড়েছেন মালিকেরা। তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচনের কাজে ব্যবহারের জন্য বাসগুলি অধিগ্রহণ করা হলেও সরকার নির্ধারিত প্রয়োজনীয় অগ্রিম অর্থ এখনও তাঁদের হাতে পৌঁছায়নি। ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই দৈনিক ভাড়া ও কর্মীদের খোরাকি সংক্রান্ত বিষয়ে পরিবহণ দফতরের সঙ্গে আলোচনা চললেও, বাস্তবে অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ঢিলেমি দেখা দিয়েছে। এই আর্থিক বঞ্চনার প্রতিবাদে এবার সিইও অফিস ও পরিবহণ দফতরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সরব হয়েছে বাস মালিক সংগঠনগুলি।


সবচেয়ে বড় অভিযোগ উঠেছে জেলাভেদে অর্থ প্রদানের বৈষম্য নিয়ে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট মিটে গেলেও কলকাতা, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং মেদিনীপুরের মতো জেলার বাস মালিকেরা এখনও কানাকড়িও পাননি। অথচ হুগলি বা হাওড়ার মতো কিছু জেলায় অগ্রিম অর্থ পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই দ্বিচারিতার কারণে ছোট ও মাঝারি বাস মালিকদের পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকেছে। পকেট থেকে শ্রমিকদের বেতন ও গাড়ির ইএমআই (EMI) মেটাতে গিয়ে তাঁরা হিমশিম খাচ্ছেন। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগে ২৬ এপ্রিল থেকেই পুনরায় বাসগুলিকে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাস মালিক সংগঠনের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, অবিলম্বে বকেয়া অগ্রিম অর্থ না মেটালে পরিস্থিতির জটিলতা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে নির্বাচনী কাজে যানবাহন সরবরাহ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। এখন প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে পরিবহণ মহল।


আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


ভোটের কাজে বাস দিয়েও মেলেনি অগ্রিম টাকা! বঞ্চনার অভিযোগে ক্ষুব্ধ বাস মালিকরা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর মরসুমে ভোট কর্মীদের যাতায়াত ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে বেসরকারি বাস অন্যতম প্রধান ভরসা। কিন্তু সেই বাস দিয়েও এখন চরম বিপাকে পড়েছেন মালিকেরা। তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচনের কাজে ব্যবহারের জন্য বাসগুলি অধিগ্রহণ করা হলেও সরকার নির্ধারিত প্রয়োজনীয় অগ্রিম অর্থ এখনও তাঁদের হাতে পৌঁছায়নি। ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই দৈনিক ভাড়া ও কর্মীদের খোরাকি সংক্রান্ত বিষয়ে পরিবহণ দফতরের সঙ্গে আলোচনা চললেও, বাস্তবে অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ঢিলেমি দেখা দিয়েছে। এই আর্থিক বঞ্চনার প্রতিবাদে এবার সিইও অফিস ও পরিবহণ দফতরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সরব হয়েছে বাস মালিক সংগঠনগুলি।সবচেয়ে বড় অভিযোগ উঠেছে জেলাভেদে অর্থ প্রদানের বৈষম্য নিয়ে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট মিটে গেলেও কলকাতা, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং মেদিনীপুরের মতো জেলার বাস মালিকেরা এখনও কানাকড়িও পাননি। অথচ হুগলি বা হাওড়ার মতো কিছু জেলায় অগ্রিম অর্থ পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই দ্বিচারিতার কারণে ছোট ও মাঝারি বাস মালিকদের পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকেছে। পকেট থেকে শ্রমিকদের বেতন ও গাড়ির ইএমআই (EMI) মেটাতে গিয়ে তাঁরা হিমশিম খাচ্ছেন। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগে ২৬ এপ্রিল থেকেই পুনরায় বাসগুলিকে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাস মালিক সংগঠনের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, অবিলম্বে বকেয়া অগ্রিম অর্থ না মেটালে পরিস্থিতির জটিলতা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে নির্বাচনী কাজে যানবাহন সরবরাহ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। এখন প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে পরিবহণ মহল।পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর মরসুমে ভোট কর্মীদের যাতায়াত ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে বেসরকারি বাস অন্যতম প্রধান ভরসা। কিন্তু সেই বাস দিয়েও এখন চরম বিপাকে পড়েছেন মালিকেরা। তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচনের কাজে ব্যবহারের জন্য বাসগুলি অধিগ্রহণ করা হলেও সরকার নির্ধারিত প্রয়োজনীয় অগ্রিম অর্থ এখনও তাঁদের হাতে পৌঁছায়নি। ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই দৈনিক ভাড়া ও কর্মীদের খোরাকি সংক্রান্ত বিষয়ে পরিবহণ দফতরের সঙ্গে আলোচনা চললেও, বাস্তবে অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ঢিলেমি দেখা দিয়েছে। এই আর্থিক বঞ্চনার প্রতিবাদে এবার সিইও অফিস ও পরিবহণ দফতরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সরব হয়েছে বাস মালিক সংগঠনগুলি।সবচেয়ে বড় অভিযোগ উঠেছে জেলাভেদে অর্থ প্রদানের বৈষম্য নিয়ে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট মিটে গেলেও কলকাতা, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং মেদিনীপুরের মতো জেলার বাস মালিকেরা এখনও কানাকড়িও পাননি। অথচ হুগলি বা হাওড়ার মতো কিছু জেলায় অগ্রিম অর্থ পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই দ্বিচারিতার কারণে ছোট ও মাঝারি বাস মালিকদের পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকেছে। পকেট থেকে শ্রমিকদের বেতন ও গাড়ির ইএমআই (EMI) মেটাতে গিয়ে তাঁরা হিমশিম খাচ্ছেন। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগে ২৬ এপ্রিল থেকেই পুনরায় বাসগুলিকে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাস মালিক সংগঠনের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, অবিলম্বে বকেয়া অগ্রিম অর্থ না মেটালে পরিস্থিতির জটিলতা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে নির্বাচনী কাজে যানবাহন সরবরাহ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। এখন প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে পরিবহণ মহল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার