নয়াদিল্লি: দেশের নানা প্রান্তে ভোট উৎসব চলছে, এর মধ্যেই দিল্লিতে ফের শুরু চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা। লোকসভার পর এবার রাজ্যসভায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব জমা দিল বিরোধী শিবির। তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব এবং বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে ৭৩ জন বিরোধী সাংসদ একজোট হয়ে এই পদক্ষেপ করেছেন।
সূত্রের খবর, এই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার নেপথ্যে অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও'ব্রায়েন আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে তাঁরা ফের উদ্যোগী হবেন। সংসদে জমা দেওয়া নোটিসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে মোট ন'টি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল - পদের অপব্যবহার করে পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যমূলক আচরণ, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা সৃষ্টি করা, এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা।
মজার বিষয় হল, মাত্র একদিন আগেই পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতে রেকর্ড হারে ভোটদান হয়েছে। ভোট পরিচালনার জন্য যেখানে জ্ঞানেশ কুমারের কমিশনকে সব রাজনৈতিক দল দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছে, ঠিক তখনই কেন এই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলেই। যদিও বিরোধীদের দাবি, স্পিকার ওম বিড়লা এর আগে লোকসভায় আনা প্রস্তাব খারিজ করে দেওয়ায় তাঁরা এবার রাজ্যসভাকে হাতিয়ার করছেন।
এর আগে দুই কক্ষের ৩০০ জন সাংসদের সই সম্বলিত প্রস্তাব আনা হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। এবার রাজ্যসভায় প্রয়োজনীয় সংখ্যার থেকে বেশি সাংসদের স্বাক্ষর নিয়ে এই প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে বিরোধীদের অসন্তোষ এবং কমিশনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ বিরোধীরা এবার সরাসরি জ্ঞানেশ কুমারের পদচ্যুতি চাইছেন।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন