আরামবাগ: প্রথম দফার ৯২ শতাংশ ভোটের রেশ কাটতে না কাটতেই ইভিএম নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। শাসক থেকে বিরোধী - সব পক্ষই যখন ইভিএমে ‘কারচুপি’র আশঙ্কায় সরব, তখনই পাল্টা বড় খবর শোনাল নির্বাচন কমিশন। বাংলায় এই প্রথম প্রতিটি ইভিএমে বসানো হয়েছে জিপিএস ট্র্যাকার। ফলে ইভিএম কোথায় আছে, তার প্রতিটি মুহূর্তের গতিবিধি ধরা পড়ছে কমিশনের রাডারে!
ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। শনিবার আরামবাগে প্রশাসন ও পুলিশ পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে তিনি সাফ জানান, "এবারই প্রথম বাংলায় ইভিএমে জিপিএস ট্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি মেশিনের মুভমেন্ট ট্র্যাক করা হচ্ছে। তাই, কারচুপির কোনও জায়গাই নেই। নাগরিকদের প্রতিটি ভোট সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।"
প্রথম দফার ভোট নিয়ে ওঠা যাবতীয় বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সিইও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, প্রথম দফার কোনও আসনেই পুনর্নির্বাচন বা রিপোলের প্রয়োজন নেই। কমিশনের কাছে আসা প্রতিটি অভিযোগের ভিডিয়ো ফুটেজ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। মনোজ আগরওয়াল মনে করিয়ে দেন, বুথের ভিতরের যে কোনও ঘটনার জন্য সম্পূর্ণ দায়ভার ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর। ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
আগামী বুধবার, ২৯ এপ্রিল কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ভোট। পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতেই এদিন আরামবাগে বৈঠক সারেন সিইও। রিজার্ভ ইভিএম বা বুথের আলো নিয়ে আসা কিছু অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
কমিশনের দাবি, এই নজিরবিহীন জিপিএস প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আঁটোসাঁটো নজরদারিতে দ্বিতীয় দফাতেও প্রথম দফার মতোই রেকর্ড এবং শান্তিপূর্ণ ভোট উপহার দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন