কলকাতা: রাজ্যে ভোটের পারদ চড়তেই ফের অ্যাকশনে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। রবিবার ছুটির সকালে খাস কলকাতার একাধিক জায়গায় হানা দিলেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। মূলত সোনা পাপ্পু মামলার সূত্র ধরেই আনন্দপুর এবং আলিপুরের দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে এই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া ব্যবসায়ী জয় কামদারকে জেরা করেই এই নতুন নামগুলোর হদিস পেয়েছে ইডি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে এদিন সকাল থেকেই সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে অভিযানে নামেন তদন্তকারীরা।
বালিগঞ্জে অশান্তির ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল সোনা পাপ্পুর, যাঁর খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে। এর আগে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নগদ টাকা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছিল ইডি। সেই যোগসূত্রেই উঠে আসে জয় কামদারের নাম। তদন্তকারীদের নজরে রয়েছেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাসও, যাঁর বাড়িতে আগেই তল্লাশি চালানো হয়েছে। জয়ের মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বড় অঙ্কের আর্থিক তছরুপ হয়ে থাকতে পারে। আজ আনন্দপুরের একটি অভিজাত আবাসন ও আলিপুরে ব্যবসায়ীদের বাড়িতে গিয়ে মূলত বিনিয়োগ সংক্রান্ত নথি ও ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা।
এদিকে ভোট চলাকালীন কেন্দ্রীয় সংস্থার এই তৎপরতাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে ইডির এই সক্রিয়তাকে 'রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বলে দেগে দিয়েছে শাসকদল তৃণমূল। এদিনই উত্তর কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মেগা রোড শো হওয়ার কথা। তার ঠিক আগেই শহরে এমন সাঁড়াশি অভিযানে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি রাজনৈতিক স্বার্থে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে। যদিও তদন্তকারীদের দাবি, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই দুর্নীতি দমন অভিযান চালানো হচ্ছে।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন