২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের আগে এক অভাবনীয় সিদ্ধান্তের কথা জানাল নির্বাচন কমিশন। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটকর্মীদের তীব্র ঘাটতি দেখা দেওয়ায়, প্রথম দফায় ডিউটি শেষ করা কর্মীদেরই ফের দ্বিতীয় দফায় অন্য জেলায় পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ এপ্রিল অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মূলত কেন্দ্রীয় সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্মীদের এই বাড়তি দায়িত্ব সামলাতে হবে। ২৯ এপ্রিলের ভোটগ্রহণে যাতে কোনও যান্ত্রিক বা প্রশাসনিক ত্রুটি না থাকে, সেই লক্ষ্যেই এক জেলার বাড়তি কর্মীদের অভাবগ্রস্ত জেলাগুলোতে সরিয়ে নেওয়ার এই পরিকল্পনা। পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ রাখতে এবং কোনো বিভ্রান্তি এড়াতে 'EMMS' সফটওয়্যারের মাধ্যমেই কর্মীদের নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার বা নিয়োগপত্র সরাসরি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কমিশনের তালিকা অনুযায়ী, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা দক্ষিণ, হাওড়া, নদিয়া এবং হুগলির মতো জেলাগুলিতে ভোটকর্মীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এই ঘাটতি মেটাতে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির মতো উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকে কয়েক হাজার কর্মীকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে নিয়ে আসা হচ্ছে। একইভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জন্য পশ্চিম বর্ধমান ও দুই মেদিনীপুর থেকে কর্মীদের তলব করা হয়েছে। বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে তেহট্ট ও ডোমজুড়ের মতো স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলোর দিকেও। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, এই বিশাল কর্মীবাহিনী বদলির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকদের মধ্যে সমন্বয় থাকা বাধ্যতামূলক। ভোটের দিন যাতে একটি বুথেও ভোটগ্রহণ ব্যাহত না হয়, তার জন্য দ্রুততার সঙ্গে নিয়োগপত্র জারি করে কর্মীদের নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন