Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

১৪০ বছরের রেকর্ড ভাঙার পথে ‘সুপার এল নিনো’: দাউদাউ করে পুড়ছে আসানসোল, চরম সংকটে বাংলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
১৪০ বছরের রেকর্ড ভাঙার পথে ‘সুপার এল নিনো’: দাউদাউ করে পুড়ছে আসানসোল, চরম সংকটে বাংলা
প্রতীকী ছবি

প্রকৃতি কি তবে চরম প্রতিশোধের নেশায় মত্ত? ১৮৭৭ সালের সেই ভয়াবহ স্মৃতি উসকে দিয়ে দীর্ঘ ১৪০ বছর পর পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে চলেছে সবথেকে শক্তিশালী ‘মেগা এল নিনো’। ইউরোপ ও আমেরিকার আবহাওয়া দপ্তরের যৌথ রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের জলরাশি অস্বাভাবিকভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় সৃষ্টি হওয়া এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবার বিগত সব রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিতে পারে।


 এই ‘সুপার এল নিনো’-র প্রত্যক্ষ প্রভাবে ইতিমধ্যেই ধুঁকছে ভারত। বিশ্বের ২০টি উষ্ণতম শহরের তালিকার ১৯টিই এখন ভারতের দখলে, যার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পশহর আসানসোল। বিহারের ভাগলপুর কিংবা ওড়িশার তালচেরের মতোই আসানসোলের পারদও ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। দিল্লির সফদরজং থেকে শুরু করে ভোপাল বা ভুবনেশ্বর— সর্বত্রই তাপমাত্রার পারদ ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করছে, যা একপ্রকার আগুনের ঝড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।


বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এবারের এই এল নিনো সবথেকে বেশি বিপজ্জনক কারণ এটি ঠিক তখনই পূর্ণ শক্তি অর্জন করবে যখন ভারতে মৌসুমি বায়ুর প্রবেশের কথা। পরিসংখ্যান বলছে, প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় এবার বর্ষার বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটা কমে যেতে পারে। 


২০১৫-১৬ সালের সুপার এল নিনোর সময় বৃষ্টির পরিমাণ প্রায় ১৪ শতাংশ কমে গিয়েছিল, যার ফলে ভারত ও পাকিস্তানে তীব্র দাবদাহে প্রাণ হারিয়েছিলেন বহু মানুষ। ভারতের কৃষিব্যবস্থার সিংহভাগ বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এবার দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতি বড়সড় সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ১৯০১ সাল থেকে আবহাওয়া রেকর্ডের ইতিহাসে ২০২৪ সাল ছিল উষ্ণতম, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ১৪০ বছরের বিরলতম এই ‘মেগা এল নিনো’র দাপটে এবার ২০২৪-এর সেই ভয়ঙ্কর রেকর্ডও ভেঙে খানখান হয়ে যেতে পারে।

বিষয় : KOLKATAWEATHER HeatWaveAlert climatecrisis SUPERELNINO globalwarming megaelnino

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


১৪০ বছরের রেকর্ড ভাঙার পথে ‘সুপার এল নিনো’: দাউদাউ করে পুড়ছে আসানসোল, চরম সংকটে বাংলা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
প্রকৃতি কি তবে চরম প্রতিশোধের নেশায় মত্ত? ১৮৭৭ সালের সেই ভয়াবহ স্মৃতি উসকে দিয়ে দীর্ঘ ১৪০ বছর পর পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে চলেছে সবথেকে শক্তিশালী ‘মেগা এল নিনো’। ইউরোপ ও আমেরিকার আবহাওয়া দপ্তরের যৌথ রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের জলরাশি অস্বাভাবিকভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় সৃষ্টি হওয়া এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবার বিগত সব রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিতে পারে। এই ‘সুপার এল নিনো’-র প্রত্যক্ষ প্রভাবে ইতিমধ্যেই ধুঁকছে ভারত। বিশ্বের ২০টি উষ্ণতম শহরের তালিকার ১৯টিই এখন ভারতের দখলে, যার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পশহর আসানসোল। বিহারের ভাগলপুর কিংবা ওড়িশার তালচেরের মতোই আসানসোলের পারদও ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। দিল্লির সফদরজং থেকে শুরু করে ভোপাল বা ভুবনেশ্বর— সর্বত্রই তাপমাত্রার পারদ ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করছে, যা একপ্রকার আগুনের ঝড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এবারের এই এল নিনো সবথেকে বেশি বিপজ্জনক কারণ এটি ঠিক তখনই পূর্ণ শক্তি অর্জন করবে যখন ভারতে মৌসুমি বায়ুর প্রবেশের কথা। পরিসংখ্যান বলছে, প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় এবার বর্ষার বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটা কমে যেতে পারে। ২০১৫-১৬ সালের সুপার এল নিনোর সময় বৃষ্টির পরিমাণ প্রায় ১৪ শতাংশ কমে গিয়েছিল, যার ফলে ভারত ও পাকিস্তানে তীব্র দাবদাহে প্রাণ হারিয়েছিলেন বহু মানুষ। ভারতের কৃষিব্যবস্থার সিংহভাগ বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এবার দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতি বড়সড় সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ১৯০১ সাল থেকে আবহাওয়া রেকর্ডের ইতিহাসে ২০২৪ সাল ছিল উষ্ণতম, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ১৪০ বছরের বিরলতম এই ‘মেগা এল নিনো’র দাপটে এবার ২০২৪-এর সেই ভয়ঙ্কর রেকর্ডও ভেঙে খানখান হয়ে যেতে পারে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার