Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

এপ্রিলেই ৪৫ ডিগ্রি! সুপার এল নিনোর দাপটে ফুটন্ত কড়াইয়ের মতো জ্বলছে ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
এপ্রিলেই ৪৫ ডিগ্রি! সুপার এল নিনোর দাপটে ফুটন্ত কড়াইয়ের মতো জ্বলছে ভারত
AI GENERATED IMAGE

চলতি এপ্রিলেই দেশের আবহাওয়া যেন আগ্নেয়গিরির রূপ নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের এক বিশাল অংশ এখন তীব্র তাপপ্রবাহের কবলে, যেখানে এপ্রিল মাসেই পারদ ছুঁয়েছে ৪২ থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মৌসম ভবনের মতে, সাধারণত মে বা জুন মাসে যে চরম দাবদাহ দেখা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এবার তা অনেক আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে। দিল্লির এনসিআর থেকে শুরু করে পঞ্জাব, হরিয়ানা, গুজরাট এমনকি হিমাচল প্রদেশের মতো পাহাড়ি রাজ্যেও গরমের দাপট অসহনীয় হয়ে উঠেছে।


 ওড়িশা বা মহারাষ্ট্রের অনেক শহরে তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত। তীব্র গরমের জেরে বহু রাজ্যে স্কুলের গরমের ছুটি এগিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, ভারত এখন বিশ্বের অন্যতম উষ্ণ ‘হটস্পট’ হয়ে উঠছে, যার প্রভাব আগামী মাসগুলোতে আরও ভয়াবহ হতে পারে।


এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির নেপথ্যে রয়েছে ‘সুপার এল নিনো’। যখন প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের জল স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি উষ্ণ হয়ে যায়, তাকেই সুপার এল নিনো বলা হয়। এর প্রভাবে ভারতে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে বৃষ্টির ঘাটতি ও তীব্র খরার আশঙ্কা তৈরি হয়।


 পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব মারাত্মক; বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গে জুন-জুলাই মাসে আমন ধান চাষের সমস্যা এবং কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রা সাধারণ মানুষকে নাজেহাল করে তুলছে। শুধু গরম বাড়ানোই নয়, সুপার এল নিনোর ফলে শীতের স্থায়িত্ব কমছে এবং বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রকৃতিও বদলে যাচ্ছে। বিশ্ব উষ্ণায়নের সঙ্গে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মিলেমিশে আমাদের এক চরম অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বিষয় : WeatherUpdate HeatWaveAlert westbengalclimate dailyweather elnino

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


এপ্রিলেই ৪৫ ডিগ্রি! সুপার এল নিনোর দাপটে ফুটন্ত কড়াইয়ের মতো জ্বলছে ভারত

প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
চলতি এপ্রিলেই দেশের আবহাওয়া যেন আগ্নেয়গিরির রূপ নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের এক বিশাল অংশ এখন তীব্র তাপপ্রবাহের কবলে, যেখানে এপ্রিল মাসেই পারদ ছুঁয়েছে ৪২ থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মৌসম ভবনের মতে, সাধারণত মে বা জুন মাসে যে চরম দাবদাহ দেখা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এবার তা অনেক আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে। দিল্লির এনসিআর থেকে শুরু করে পঞ্জাব, হরিয়ানা, গুজরাট এমনকি হিমাচল প্রদেশের মতো পাহাড়ি রাজ্যেও গরমের দাপট অসহনীয় হয়ে উঠেছে। ওড়িশা বা মহারাষ্ট্রের অনেক শহরে তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত। তীব্র গরমের জেরে বহু রাজ্যে স্কুলের গরমের ছুটি এগিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, ভারত এখন বিশ্বের অন্যতম উষ্ণ ‘হটস্পট’ হয়ে উঠছে, যার প্রভাব আগামী মাসগুলোতে আরও ভয়াবহ হতে পারে।এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির নেপথ্যে রয়েছে ‘সুপার এল নিনো’। যখন প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের জল স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি উষ্ণ হয়ে যায়, তাকেই সুপার এল নিনো বলা হয়। এর প্রভাবে ভারতে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে বৃষ্টির ঘাটতি ও তীব্র খরার আশঙ্কা তৈরি হয়। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব মারাত্মক; বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গে জুন-জুলাই মাসে আমন ধান চাষের সমস্যা এবং কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রা সাধারণ মানুষকে নাজেহাল করে তুলছে। শুধু গরম বাড়ানোই নয়, সুপার এল নিনোর ফলে শীতের স্থায়িত্ব কমছে এবং বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রকৃতিও বদলে যাচ্ছে। বিশ্ব উষ্ণায়নের সঙ্গে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মিলেমিশে আমাদের এক চরম অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার