Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

চাঁদিফাটা গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত গিগ কর্মীদের! সুরক্ষা ও ‘কুলিং ব্রেক’-এর দাবিতে কেন্দ্রকে চিঠি শ্রমিক সংগঠনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
চাঁদিফাটা গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত গিগ কর্মীদের! সুরক্ষা ও ‘কুলিং ব্রেক’-এর দাবিতে কেন্দ্রকে চিঠি শ্রমিক সংগঠনের
প্রতীকী ছবি

দেশজুড়ে তাপপ্রবাহের দাপট শুরু হতেই ঘোর সংকটে পড়েছেন ফুড ডেলিভারি ও অ্যাপ-ক্যাব পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত লক্ষ লক্ষ গিগ কর্মীরা। ৪৩ ডিগ্রি ছাড়ানো তাপমাত্রা আর লু-এর ঝাপটা উপেক্ষা করে যারা গ্রাহকদের দুয়ারে পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছেন, তাঁদের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় এবার কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রকের দ্বারস্থ হলো ‘ইন্ডিয়ান ফেডারেশন অফ অ্যাপ-বেসড ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স’। 




সংগঠনটি স্পষ্ট জানিয়েছে, জ়োম্যাটো, সুইগি, উবের বা ওলা-র মতো সংস্থায় কর্মরত কর্মীদের জন্য ২০২০ সালের সামাজিক সুরক্ষা কোড অনুযায়ী অবিলম্বে তাপপ্রবাহ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। দক্ষিণ কোরিয়া বা সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলি যেখানে প্রচণ্ড গরমে কর্মীদের সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নেয়, সেখানে ভারতেও গিগ কর্মীদের জন্য কাজের মাঝে ‘কুলিং ব্রেক’ বা সবেতন বিশ্রামের সুযোগ থাকা জরুরি বলে দাবি জানানো হয়েছে।




চিঠিতে গিগ কর্মীরা আরজি জানিয়েছেন, তাপপ্রবাহের সতর্কতা চলাকালীন তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত পানীয় জল, ওআরএস এবং শীতল বিশ্রাম কক্ষের ব্যবস্থা করতে হবে। এমনকি দিল্লির মতো জায়গায় দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত—যখন রোদের তেজ সবচেয়ে বেশি থাকে—তখন কাজ বন্ধ রাখার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। 




তেলাঙ্গানার গিগ কর্মী ইউনিয়ন সাধারণ গ্রাহকদের কাছেও আর্জি জানিয়েছে, এই কঠিন সময়ে ডেলিভারি বয় বা ক্যাব চালকদের অন্তত এক গ্লাস জল দিয়ে সাহায্য করতে। রোদে পুড়ে হিট স্ট্রোকে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা এই কর্মীদের দাবি, সুরক্ষা পাওয়া কোনও বিলাসিতা নয়, বরং এটি তাঁদের মৌলিক শ্রম অধিকার। এখন দেখার, গ্রীষ্মের এই ভয়াবহ দাবদাহ থেকে কয়েক লক্ষ মেহনতি মানুষকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার কী পদক্ষেপ নেয়।

বিষয় : summersafety gigworkers labourrights zomato swiggy gigeconomy

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


চাঁদিফাটা গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত গিগ কর্মীদের! সুরক্ষা ও ‘কুলিং ব্রেক’-এর দাবিতে কেন্দ্রকে চিঠি শ্রমিক সংগঠনের

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
দেশজুড়ে তাপপ্রবাহের দাপট শুরু হতেই ঘোর সংকটে পড়েছেন ফুড ডেলিভারি ও অ্যাপ-ক্যাব পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত লক্ষ লক্ষ গিগ কর্মীরা। ৪৩ ডিগ্রি ছাড়ানো তাপমাত্রা আর লু-এর ঝাপটা উপেক্ষা করে যারা গ্রাহকদের দুয়ারে পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছেন, তাঁদের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় এবার কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রকের দ্বারস্থ হলো ‘ইন্ডিয়ান ফেডারেশন অফ অ্যাপ-বেসড ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স’। সংগঠনটি স্পষ্ট জানিয়েছে, জ়োম্যাটো, সুইগি, উবের বা ওলা-র মতো সংস্থায় কর্মরত কর্মীদের জন্য ২০২০ সালের সামাজিক সুরক্ষা কোড অনুযায়ী অবিলম্বে তাপপ্রবাহ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। দক্ষিণ কোরিয়া বা সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলি যেখানে প্রচণ্ড গরমে কর্মীদের সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নেয়, সেখানে ভারতেও গিগ কর্মীদের জন্য কাজের মাঝে ‘কুলিং ব্রেক’ বা সবেতন বিশ্রামের সুযোগ থাকা জরুরি বলে দাবি জানানো হয়েছে।চিঠিতে গিগ কর্মীরা আরজি জানিয়েছেন, তাপপ্রবাহের সতর্কতা চলাকালীন তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত পানীয় জল, ওআরএস এবং শীতল বিশ্রাম কক্ষের ব্যবস্থা করতে হবে। এমনকি দিল্লির মতো জায়গায় দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত—যখন রোদের তেজ সবচেয়ে বেশি থাকে—তখন কাজ বন্ধ রাখার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। তেলাঙ্গানার গিগ কর্মী ইউনিয়ন সাধারণ গ্রাহকদের কাছেও আর্জি জানিয়েছে, এই কঠিন সময়ে ডেলিভারি বয় বা ক্যাব চালকদের অন্তত এক গ্লাস জল দিয়ে সাহায্য করতে। রোদে পুড়ে হিট স্ট্রোকে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা এই কর্মীদের দাবি, সুরক্ষা পাওয়া কোনও বিলাসিতা নয়, বরং এটি তাঁদের মৌলিক শ্রম অধিকার। এখন দেখার, গ্রীষ্মের এই ভয়াবহ দাবদাহ থেকে কয়েক লক্ষ মেহনতি মানুষকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার কী পদক্ষেপ নেয়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার