গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হতে গিয়ে চরম হেনস্থার মুখে পড়লেন কয়েকশো গাড়িচালক। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটের সকালে কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে ধরা পড়ল এক চাঞ্চল্যকর চিত্র। অভিযোগ, প্রায় ৪০০ জন গাড়িচালক যখন নিজেদের বুথে ভোট দিতে যান, তখন তাঁদের জানানো হয় যে তাঁদের ভোট ইতিমধ্যেই পোস্টাল ব্যালটে পড়ে গিয়েছে। এই খবর শোনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন চালকরা।
তাঁদের দাবি, তাঁরা কেউ পোস্টাল ব্যালটে সই করেননি বা ভোট দেননি, তবে কীভাবে তাঁদের ভোট আগে পড়ে গেল? এই অনিয়মের প্রতিবাদে এবং নিজেদের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার দাবিতে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন চালকরা। এমনকি দাবি পূরণ না হলে গলায় দড়ি দিয়ে ‘আত্মঘাতী’ হওয়ার হুমকিও দেন তাঁরা।
জানা গিয়েছে, কৃষ্ণনগর ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিস থেকে নির্বাচনের কাজের জন্য এই চালকদের নিয়োগ করা হয়েছিল। বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি প্রার্থী সাধন ঘোষ। তিনি সরাসরি তোপ দেগে অভিযোগ করেন যে, বিডিও-র মদতেই তৃণমূল এই কারচুপি করেছে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দীর্ঘক্ষণ জাতীয় সড়ক অবরোধ থাকার ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
পরে পুলিশ ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পুনরায় ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। নির্বাচনের দিনে এমন ‘ভুতুড়ে’ ভোটের অভিযোগ ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন