ভোট যত গড়াচ্ছে, ততই তপ্ত হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গ। বুধবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে বেহালা পশ্চিমের সরশুনা এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূল কর্মীদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল। ১২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সরশুনা হাইস্কুলের কাছে বুথ থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে থাকা তৃণমূলের ক্যাম্প অফিসে হঠাৎই জওয়ানরা চড়াও হন বলে দাবি করা হয়েছে। কোনও প্ররোচনা ছাড়াই কর্মীদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া এবং মারধর করার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়।
তিনি জওয়ানদের এই অতিসক্রিয়তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। বেহালার এই উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় খোদ মুখ্যমন্ত্রীর পাড়া কালীঘাট। সেখানে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে লক্ষ্য করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিতে শুরু করেন তৃণমূল সমর্থকরা। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় শুভেন্দুর কনভয় আটকে যায় এবং শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠিচার্জ করে ভিড় হঠাতে হয়।
অন্যদিকে, উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া বিধানসভার চিত্রটা ছিল কিছুটা উল্টো। দাসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কালিগাছি গ্রামে সকালে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, সাধারণ মানুষকে ভোট দিতে যেতে বাধা দিচ্ছিল শাসক শিবির। কিন্তু এই খবর জানাজানি হতেই পালটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন আইএসএফ কর্মীরা। দলবদ্ধভাবে তাঁরা তৃণমূল কর্মীদের ধাওয়া করেন, যার ফলে এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন শাসকদলের সমর্থকরা। ভোটের সকালে বেহালা থেকে হাড়োয়া— সর্বত্রই বুথ দখলের চেষ্টা ও পালটা প্রতিরোধের জেরে সরগরম রাজনৈতিক ময়দান।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন