Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘বিজেপি ৫০-ও পেরোবে না, তৃণমূল পাবে ২৩৫!’ দ্বিতীয় দফার শেষে আত্মবিশ্বাসী কুণাল-শশী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
‘বিজেপি ৫০-ও পেরোবে না, তৃণমূল পাবে ২৩৫!’ দ্বিতীয় দফার শেষে আত্মবিশ্বাসী কুণাল-শশী
ফাইল চিত্র

কলকাতা: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই জয়ের ব্যাপারে চরম আত্মবিশ্বাস ধরা পড়ল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের শিবিরে। বুধবার বিকেলে এক সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের রাজ্য নেতা কুণাল ঘোষ দাবি করেন, প্রথম দফার ভোটেই তাঁদের দল ‘সেঞ্চুরি’ করে ফেলেছে। দ্বিতীয় দফার শেষে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী—বিজেপি এবার বাংলায় ৫০টি আসনও পার করতে পারবে না।




কুণাল ঘোষের মতে, “প্রথম দফার ভোটেই আমরা একশো পার করে গিয়েছি। দ্বিতীয় দফার পর বলছি, তৃণমূল এবার ২৩৫টির বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবে। মানুষ যত বেশি হারে ভোট দিচ্ছেন, তৃণমূলের জয় তত বেশি নিশ্চিত হচ্ছে।” এদিন ভোট দিয়ে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ভিক্ট্রি সাইন দেখিয়ে দাবি করেছেন, তৃণমূল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের সরকার গড়বে।




তবে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হলেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। কুণাল ঘোষ এবং ডঃ শশী পাঁজা অভিযোগ করেছেন, পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিজেপি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে সাধারণ ভোটারদের উপর ‘অত্যাচার’ চালিয়েছে। শশী পাঁজা দাবি করেন, “সাতগাছিয়া ও ফলতার মতো এলাকায় মহিলা ও শিশুদের উপর অমানবিক আচরণ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রক্রিয়া শ্লথ করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেছে।”




পাশাপাশি শশী পাঁজা আরও দাবি করেন, ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ‘ফ্লপ জ্যোতিষী’ বলে কটাক্ষ করে তিনি জানান, এগজিট পোল বা বুথফেরত সমীক্ষার ফল সবসময় সঠিক হয় না, শেষ কথা বলবে বাংলার মানুষই। আগামী ৪ মে ইভিএম খোলার পরই স্পষ্ট হবে তৃণমূলের এই আত্মবিশ্বাস কতটা বাস্তবসম্মত।

বিষয় : WestBengalElection WESTBENGAL TMC BengalPolitics kunalghosh EXITPOLL shashipanja

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


‘বিজেপি ৫০-ও পেরোবে না, তৃণমূল পাবে ২৩৫!’ দ্বিতীয় দফার শেষে আত্মবিশ্বাসী কুণাল-শশী

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই জয়ের ব্যাপারে চরম আত্মবিশ্বাস ধরা পড়ল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের শিবিরে। বুধবার বিকেলে এক সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের রাজ্য নেতা কুণাল ঘোষ দাবি করেন, প্রথম দফার ভোটেই তাঁদের দল ‘সেঞ্চুরি’ করে ফেলেছে। দ্বিতীয় দফার শেষে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী—বিজেপি এবার বাংলায় ৫০টি আসনও পার করতে পারবে না।কুণাল ঘোষের মতে, “প্রথম দফার ভোটেই আমরা একশো পার করে গিয়েছি। দ্বিতীয় দফার পর বলছি, তৃণমূল এবার ২৩৫টির বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবে। মানুষ যত বেশি হারে ভোট দিচ্ছেন, তৃণমূলের জয় তত বেশি নিশ্চিত হচ্ছে।” এদিন ভোট দিয়ে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ভিক্ট্রি সাইন দেখিয়ে দাবি করেছেন, তৃণমূল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের সরকার গড়বে।তবে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হলেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। কুণাল ঘোষ এবং ডঃ শশী পাঁজা অভিযোগ করেছেন, পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিজেপি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে সাধারণ ভোটারদের উপর ‘অত্যাচার’ চালিয়েছে। শশী পাঁজা দাবি করেন, “সাতগাছিয়া ও ফলতার মতো এলাকায় মহিলা ও শিশুদের উপর অমানবিক আচরণ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রক্রিয়া শ্লথ করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেছে।”পাশাপাশি শশী পাঁজা আরও দাবি করেন, ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ‘ফ্লপ জ্যোতিষী’ বলে কটাক্ষ করে তিনি জানান, এগজিট পোল বা বুথফেরত সমীক্ষার ফল সবসময় সঠিক হয় না, শেষ কথা বলবে বাংলার মানুষই। আগামী ৪ মে ইভিএম খোলার পরই স্পষ্ট হবে তৃণমূলের এই আত্মবিশ্বাস কতটা বাস্তবসম্মত।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার