Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মাকে বালিশ চাপা দিয়ে খুনের পর দেহ রাখা হলো ডিপ ফ্রিজে, গ্রেপ্তার মেয়ে!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
মাকে বালিশ চাপা দিয়ে খুনের পর দেহ রাখা হলো ডিপ ফ্রিজে, গ্রেপ্তার মেয়ে!
প্রতীকী ছবি

বিলাসবহুল জীবনযাত্রার স্বপ্ন আর টাকার নেশায় মা-মেয়ের পবিত্র সম্পর্ক যে কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, তার সাক্ষী থাকল রাঁচির মানিটোলা। মাত্র ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরী নিজের দত্তক মাকে খুনের পর দেহটি দীর্ঘক্ষণ ডিপ ফ্রিজে লুকিয়ে রেখেছিল। জানা গিয়েছে, মৃত নহিদা পারভিনের স্বামী বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর নহিদা প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা এবং একটি চাকরির সুযোগ পেয়েছিলেন। 


এই বিপুল সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে ওই কিশোরীর। নিজের প্রেমিক আরবাজকে খুশি করতে সে মাঝেমধ্যেই মায়ের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরাত। বিষয়টি নহিদা জানতে পেরে ব্যাঙ্কের অ্যাকসেস বন্ধ করে দিতেই শুরু হয় অশান্তি। সম্পত্তির পূর্ণ অধিকার আর মায়ের চাকরিটি হস্তগত করতেই শেষ পর্যন্ত প্রেমিক ও তার বন্ধুদের নিয়ে খুনের ব্লু-প্রিন্ট সাজায় ওই কিশোরী।


তদন্তে উঠে এসেছে এক রোমহর্ষক তথ্য। গত ২৪ এপ্রিল রাতে নহিদা যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন বালিশ চাপা দিয়ে তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। এই পৈশাচিক কাজে কিশোরীকে সাহায্য করে তার প্রেমিক ও তিন বন্ধু, যাদের ১২ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। খুনের পর রক্তমাখা দেহটি ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখা হয় এবং পরদিন সকালে স্বাভাবিক মৃত্যুর নাটক করে তড়িঘড়ি শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়।


 তবে মৃতার গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখে আত্মীয়দের মনে সন্দেহ জাগলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কবর থেকে দেহ তুলে ময়নাতদন্ত করা হলে আসল সত্য সামনে আসে। পুলিশের কড়া জেরার মুখে কিশোরী ও তার প্রেমিক নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে। এই ঘটনায় সমাজতাত্ত্বিকরা কিশোর প্রজন্মের নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বিষয় : CrimeNews ranchmurder jharkhandcrime propertygreed

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


মাকে বালিশ চাপা দিয়ে খুনের পর দেহ রাখা হলো ডিপ ফ্রিজে, গ্রেপ্তার মেয়ে!

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
বিলাসবহুল জীবনযাত্রার স্বপ্ন আর টাকার নেশায় মা-মেয়ের পবিত্র সম্পর্ক যে কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, তার সাক্ষী থাকল রাঁচির মানিটোলা। মাত্র ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরী নিজের দত্তক মাকে খুনের পর দেহটি দীর্ঘক্ষণ ডিপ ফ্রিজে লুকিয়ে রেখেছিল। জানা গিয়েছে, মৃত নহিদা পারভিনের স্বামী বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর নহিদা প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা এবং একটি চাকরির সুযোগ পেয়েছিলেন। এই বিপুল সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে ওই কিশোরীর। নিজের প্রেমিক আরবাজকে খুশি করতে সে মাঝেমধ্যেই মায়ের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরাত। বিষয়টি নহিদা জানতে পেরে ব্যাঙ্কের অ্যাকসেস বন্ধ করে দিতেই শুরু হয় অশান্তি। সম্পত্তির পূর্ণ অধিকার আর মায়ের চাকরিটি হস্তগত করতেই শেষ পর্যন্ত প্রেমিক ও তার বন্ধুদের নিয়ে খুনের ব্লু-প্রিন্ট সাজায় ওই কিশোরী।তদন্তে উঠে এসেছে এক রোমহর্ষক তথ্য। গত ২৪ এপ্রিল রাতে নহিদা যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন বালিশ চাপা দিয়ে তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। এই পৈশাচিক কাজে কিশোরীকে সাহায্য করে তার প্রেমিক ও তিন বন্ধু, যাদের ১২ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। খুনের পর রক্তমাখা দেহটি ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখা হয় এবং পরদিন সকালে স্বাভাবিক মৃত্যুর নাটক করে তড়িঘড়ি শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। তবে মৃতার গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখে আত্মীয়দের মনে সন্দেহ জাগলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কবর থেকে দেহ তুলে ময়নাতদন্ত করা হলে আসল সত্য সামনে আসে। পুলিশের কড়া জেরার মুখে কিশোরী ও তার প্রেমিক নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে। এই ঘটনায় সমাজতাত্ত্বিকরা কিশোর প্রজন্মের নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার