Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মোথাবাড়ি কাণ্ডে কড়া এনআইএ আদালত, ৫২ অভিযুক্তের জামিন খারিজ, ঠাঁই শ্রীঘরে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
মোথাবাড়ি কাণ্ডে কড়া এনআইএ আদালত, ৫২ অভিযুক্তের জামিন খারিজ, ঠাঁই শ্রীঘরে
FILE IMAGE

মালদহ: মালদহের মোথাবাড়ি বিডিও অফিসে কলকাতা হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচারকদের আটকে রেখে হেনস্থার ঘটনায় আরও বিপাকে অভিযুক্তরা। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে মূল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম-সহ মোট ৫২ জন অভিযুক্তের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল এনআইএ আদালত। আগামী ১৩ মে পর্যন্ত তাদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।


এসআইআর বা ভোটারতালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজে নিযুক্ত সাতজন বিচারক কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসে কাজ করছিলেন। অভিযোগ, তালিকায় নাম না থাকা একদল উত্তেজিত জনতা বিচারকদের ঘেরাও করে এবং রাতভর আটকে রেখে হেনস্থা করেন। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ালে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে তদন্তভার নেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ।


এই মামলার তদন্তভার হস্তান্তর নিয়ে দীর্ঘ টালবাহানা চলে রাজ্য পুলিশ ও এনআইএর মধ্যে। কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযোগ ছিল, আদালতের নির্দেশের পরেও পুলিশ নথি দিচ্ছে না। অবশেষে আদালতের হস্তক্ষেপে সিআইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া মোফাক্কেরুল-সহ অন্যদের এনআইএর হাতে তুলে দেওয়া হয়। ভিডিয়ো ফুটেজ দেখে একে একে মোট ৫২ জনকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হয়।


বৃহস্পতিবার আদালতে এনআইএর আইনজীবী শ্যামল ঘোষ জানান, মোট ১২টি মামলার শুনানি ছিল এবং সবকটিতেই অভিযুক্তদের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, "তদন্ত খুব ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। আমরা দ্রুত চার্জশিট জমা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আরও তথ্য প্রমাণের জন্য দুই অভিযুক্তকে ফের এনআইএ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।"

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


মোথাবাড়ি কাণ্ডে কড়া এনআইএ আদালত, ৫২ অভিযুক্তের জামিন খারিজ, ঠাঁই শ্রীঘরে

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
মালদহ: মালদহের মোথাবাড়ি বিডিও অফিসে কলকাতা হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচারকদের আটকে রেখে হেনস্থার ঘটনায় আরও বিপাকে অভিযুক্তরা। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে মূল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম-সহ মোট ৫২ জন অভিযুক্তের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল এনআইএ আদালত। আগামী ১৩ মে পর্যন্ত তাদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।এসআইআর বা ভোটারতালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজে নিযুক্ত সাতজন বিচারক কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসে কাজ করছিলেন। অভিযোগ, তালিকায় নাম না থাকা একদল উত্তেজিত জনতা বিচারকদের ঘেরাও করে এবং রাতভর আটকে রেখে হেনস্থা করেন। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ালে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে তদন্তভার নেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ।এই মামলার তদন্তভার হস্তান্তর নিয়ে দীর্ঘ টালবাহানা চলে রাজ্য পুলিশ ও এনআইএর মধ্যে। কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযোগ ছিল, আদালতের নির্দেশের পরেও পুলিশ নথি দিচ্ছে না। অবশেষে আদালতের হস্তক্ষেপে সিআইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া মোফাক্কেরুল-সহ অন্যদের এনআইএর হাতে তুলে দেওয়া হয়। ভিডিয়ো ফুটেজ দেখে একে একে মোট ৫২ জনকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হয়।বৃহস্পতিবার আদালতে এনআইএর আইনজীবী শ্যামল ঘোষ জানান, মোট ১২টি মামলার শুনানি ছিল এবং সবকটিতেই অভিযুক্তদের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, "তদন্ত খুব ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। আমরা দ্রুত চার্জশিট জমা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আরও তথ্য প্রমাণের জন্য দুই অভিযুক্তকে ফের এনআইএ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।"

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার