Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘সম্মানটুকু দিন ম্যাডাম’, গর্ভপাতের বিরোধিতায় কেন্দ্রকে কড়া তোপ সুপ্রিম কোর্টের, আইন বদলানোর বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
‘সম্মানটুকু দিন ম্যাডাম’, গর্ভপাতের বিরোধিতায় কেন্দ্রকে কড়া তোপ সুপ্রিম কোর্টের, আইন বদলানোর বার্তা
প্রতীকী ছবি

গর্ভপাতের অধিকার সংক্রান্ত বর্তমান আইন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র ভাষায় বিঁধল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। কতদিন পর্যন্ত গর্ভপাত করানো যাবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা একজন মহিলার থাকা উচিত এবং ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দকে সম্মান দিয়ে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনকেও বদলাতে হবে— মোদি সরকারকে এই বার্তাই দিল শীর্ষ আদালত। 


১৫ বছর বয়সি এক ধর্ষিতা নাবালিকার ৩১ সপ্তাহের গর্ভপাতের মামলার প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ। ২৪ সপ্তাহের আইনি সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে কেন্দ্র যখন এই গর্ভপাতের বিরোধিতা করে, তখনই ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত স্পষ্ট জানায় যে, ধর্ষণের কারণে কেউ অন্তঃসত্ত্বা হলে গর্ভপাতের ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকা উচিত নয়।


শুনানি চলাকালীন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটিকে কার্যত তুলোধোনা করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ধর্ষণের ফলে ওই নাবালিকা যে মানসিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে তা অপূরণীয়, তাই অন্তত তাকে প্রাপ্য সম্মানটুকু দেওয়া উচিত। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, ৩১ সপ্তাহে এইমস গর্ভপাতের অনুমতি দেয় না এবং নাবালিকার উচিত সন্তানের জন্ম দিয়ে তাকে দত্তক দেওয়া।


 এই যুক্তিকে নস্যাৎ করে দিয়ে প্রধান বিচারপতি জানান, মাত্র ১৫ বছর বয়সে কাউকে জোর করে মা হতে বাধ্য করা যায় না। এইমসের দক্ষ চিকিৎসকরা নাবালিকার নিরাপদ অস্ত্রোপচার করতে সক্ষম বলেও আদালত অভিমত প্রকাশ করে। বিচারপতি বাগচির মতে, নাগরিক ও প্রশাসনের মধ্যে এ জাতীয় সংবেদনশীল বিষয়ে বিভেদ থাকা কাম্য নয়। নির্যাতিতার পাশে দাঁড়িয়ে সর্বোচ্চ আদালতের এই কড়া অবস্থান নারী অধিকারের

বিষয় : humanrights supremecoart childsafety abortionright

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


‘সম্মানটুকু দিন ম্যাডাম’, গর্ভপাতের বিরোধিতায় কেন্দ্রকে কড়া তোপ সুপ্রিম কোর্টের, আইন বদলানোর বার্তা

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
গর্ভপাতের অধিকার সংক্রান্ত বর্তমান আইন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র ভাষায় বিঁধল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। কতদিন পর্যন্ত গর্ভপাত করানো যাবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা একজন মহিলার থাকা উচিত এবং ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দকে সম্মান দিয়ে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনকেও বদলাতে হবে— মোদি সরকারকে এই বার্তাই দিল শীর্ষ আদালত। ১৫ বছর বয়সি এক ধর্ষিতা নাবালিকার ৩১ সপ্তাহের গর্ভপাতের মামলার প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ। ২৪ সপ্তাহের আইনি সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে কেন্দ্র যখন এই গর্ভপাতের বিরোধিতা করে, তখনই ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত স্পষ্ট জানায় যে, ধর্ষণের কারণে কেউ অন্তঃসত্ত্বা হলে গর্ভপাতের ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকা উচিত নয়।শুনানি চলাকালীন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটিকে কার্যত তুলোধোনা করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ধর্ষণের ফলে ওই নাবালিকা যে মানসিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে তা অপূরণীয়, তাই অন্তত তাকে প্রাপ্য সম্মানটুকু দেওয়া উচিত। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, ৩১ সপ্তাহে এইমস গর্ভপাতের অনুমতি দেয় না এবং নাবালিকার উচিত সন্তানের জন্ম দিয়ে তাকে দত্তক দেওয়া। এই যুক্তিকে নস্যাৎ করে দিয়ে প্রধান বিচারপতি জানান, মাত্র ১৫ বছর বয়সে কাউকে জোর করে মা হতে বাধ্য করা যায় না। এইমসের দক্ষ চিকিৎসকরা নাবালিকার নিরাপদ অস্ত্রোপচার করতে সক্ষম বলেও আদালত অভিমত প্রকাশ করে। বিচারপতি বাগচির মতে, নাগরিক ও প্রশাসনের মধ্যে এ জাতীয় সংবেদনশীল বিষয়ে বিভেদ থাকা কাম্য নয়। নির্যাতিতার পাশে দাঁড়িয়ে সর্বোচ্চ আদালতের এই কড়া অবস্থান নারী অধিকারের

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার