কলকাতা: ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট মিটতেই এখন সবার নজর ইভিএমের ফলাফলের দিকে। বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোলে যখন তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তখন পর্দার আড়ালে অন্য এক অঙ্ক কষছে দেশের জনপ্রিয় সাট্টাবাজারগুলি। ফালোদি থেকে মুম্বই - পরিবর্তনের ইঙ্গিত নাকি প্রত্যাবর্তনের আভাস, কী রয়েছে তাতে? সাট্টাবাজারের বুকিদের বাজি এখন বাংলার রাজনীতির অলিন্দেও শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
রাজস্থানের যোধপুরের ছোট্ট শহর ফালোদি। কিন্তু, এর সাট্টাবাজারের দাপট দেশজুড়ে। যদিও এই বাজার আইনত স্বীকৃত নয়, তবে অতীতে বহুবার তাদের ভবিষ্যৎবাণী হুবহু মিলে গিয়েছে! এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, ফালোদি সাট্টা বাজার এবার বঙ্গে বিজেপির দিকে পাল্লা কিছুটা ভারী রেখেছে। তাদের হিসেবে, বিজেপি ১৪৬-১৪৯টি আসন পেতে পারে, আর তৃণমূল থমকে যেতে পারে ১৪০-১৪৬টি আসনে।
সাট্টাবাজারের হিসাবেও কিন্তু দ্বিমত রয়েছে। দিল্লি সাট্টা বাজার আবার আশার আলো দেখাচ্ছে ঘাসফুল শিবিরকে। তাদের সমীক্ষা বলছে, তৃণমূল পেতে পারে ১৪৬-১৪৯টি আসন এবং বিজেপি পেতে পারে ১৪০-১৪৩টি। ঠিক উল্টো মেরুতে দাঁড়িয়ে মুম্বই সাট্টা বাজার একচেটিয়াভাবে এগিয়ে রেখেছে গেরুয়া শিবিরকে। তাদের দাবি, বিজেপি পেতে পারে ১৭৫-১৮৫টি আসন, আর তৃণমূল পেতে পারে ১২৭-১৩২টি আসন।
মজার বিষয় হল, প্রথম দফার ভোটের পর এই বাজারগুলিই তৃণমূলকে এগিয়ে রাখছিল। কিন্তু, দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই বুকিদের হিসাব দ্রুত বদলে গিয়েছে। তবে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই সাট্টাবাজারের সমীক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁদের মতে, এগুলির কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই এবং অনেক ক্ষেত্রেই এই হিসাব বাস্তবে মেলে না।
এখন সাট্টাবাজারের এই কোটি কোটি টাকার বাজি সত্যি হবে, নাকি বাংলার জনতা গতবারের মতোই সব সমীক্ষা উল্টে দেবে - তার উত্তর মিলবে ৪ মে গণনার দিন।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন