কলকাতা: দ্বিতীয় দফার হাইভোল্টেজ ভোটের পর এবার পুনর্নির্বাচনের ডামাডোল শুরু হল দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। ভোট পর্বে বিভিন্ন অভিযোগ ও স্ক্রুটিনির পর শুক্রবার নির্বাচন কমিশন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। যার জেরে - আগামিকাল - শনিবার জেলার দুই বিধানসভাকেন্দ্রের মোট ১৫টি বুথে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে। তবে, তালিকায় সবচেয়ে আলোচিত কেন্দ্র ‘ফলতা’ নিয়ে কমিশন এখনও নীরব থাকায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে পাঠানো চিঠিতে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, মগরাহাট পশ্চিম এবং ডায়মন্ড হারবার বিধানসভাকেন্দ্রের নির্দিষ্ট কিছু বুথে কাল ভোট নেওয়া হবে। যথা -
মগরাহাট পশ্চিম: এই কেন্দ্রের ১১টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে।
ডায়মন্ড হারবার: এখানে ৪টি বুথে ফের ভোট নেওয়া হবে।
শনিবার সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই ১৫টি বুথের ভোটাররা ফের তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত তাঁর রিপোর্টে ফলতার প্রায় ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের জোরালো সুপারিশ করেছিলেন। এমনকী, ইভিএমে টেপ লাগিয়ে বিরোধী দলের প্রতীক ঢেকে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও খতিয়ে দেখেছিল কমিশন। বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও ফলতায় রিপোলের দাবি তুলেছিলেন। কিন্তু, শুক্রবার ঘোষিত তালিকায় ফলতার নাম না থাকায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ফলতার ভাগ্য এখনও ঝুলে আছে? নাকি পর্যবেক্ষকের সেই প্রস্তাব এড়িয়ে গেল কমিশন?
বৃহস্পতিবার ভোটের দিন ইভিএম কারচুপি, বুথ দখল এবং ভোটদানে বাধার একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত এই কেন্দ্রগুলির স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন। তাঁর দেওয়া রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই মগরাহাট পশ্চিম ও ডায়মন্ড হারবারে ভোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।
এখন দেখার, ফলতা নিয়ে কমিশন পরবর্তী সময়ে কোনও আলাদা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কিনা। ৪ মে গণনার আগে শনিবারের এই পুনর্নির্বাচন জেলা রাজনীতির সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে, সেদিকেই নজর সব মহলের।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন