নয়াদিল্লি: বিধানসভা ভোটের রেশ কাটতে না কাটতেই খাদ্য ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। কয়েক দিন আগেই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভোট মিটলেই বাড়বে জ্বালানির দাম। সেই ভবিষ্যদ্বাণী হুবহু মিলে যাওয়ায় মোদী সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। রাহুলের দাবি, বাণিজ্যিক গ্যাসের এই বর্ধিত মূল্য আসলে আমজনতার উপর চাপানো ‘ভোটের খরচের বিল’!
ভোট মিটতেই রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি জ্বালানির দামে বড়সড় বদল এনেছে। তবে, ঘরোয়া সিলিন্ডার নয়, বদলে এবার প্রথম কোপ পড়েছে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের উপর। ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডার প্রতি দাম একধাক্কায় বাড়ানো হয়েছে ৯৯৩ টাকা। ভারতের ইতিহাসে একদিনে এত বিপুল পরিমাণ দাম বাড়ার নজির নেই বললেই চলে। শুধু গ্যাস নয়, অটো এলপিজির দামও লিটার প্রতি ৬ টাকা ৪৪ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে রাহুল গান্ধী এ নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা করে লিখেছেন, “আগেই বলেছিলাম ভোটের পরেই কোপ পড়বে। আজ বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ৯৯৩ টাকা বাড়ল। এটাই তো নির্বাচনের খরচের বিল!” তিনি আরও জানান, গত ফেব্রুয়ারি থেকে মাত্র ৩ মাসে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ১ হাজার ৩৮০ টাকা বা প্রায় ৮১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে! এর ফলে চা-ওয়ালা, ধাবার মালিক থেকে শুরু করে বেকারি ও মিষ্টির দোকান - প্রতিটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী চরম বিপাকে পড়বেন। যার প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের খাবারের থালাতেও।
রাহুলের দাবি, এই বিপুল মূল্যবৃদ্ধি কেবল শুরু বা ‘প্রথম কিস্তি’। এরপর পেট্রল ও ডিজেলের দামেও বড়সড় কোপ আসতে চলেছে বলে তাঁর আশঙ্কা। অতীতে মোদী সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে রাহুলের করা একাধিক ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গিয়েছে। যা আমজনতার দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। মূল্যবৃদ্ধির চাপে পিষ্ট সাধারণ মানুষের উপর পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়লে তা আগুনে ঘৃতাহুতির মতো কাজ করবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন