Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

আমেরিকার মাটিতে কেরালা-কন্যার দাপট! নিত্যা রমনই কি লস অ্যাঞ্জেলসের পরবর্তী মেয়র?

আমেরিকার মাটিতে কেরালা-কন্যার দাপট! নিত্যা রমনই কি লস অ্যাঞ্জেলসের পরবর্তী মেয়র?
ছবি সংগৃহীত

লস অ্যাঞ্জেলেস: নিউইয়র্কের পর এবার কি লস অ্যাঞ্জেলসের মসনদ দখল করতে চলেছেন এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত? সব ঠিক থাকলে আমেরিকার এই অন্যতম প্রধান শহরের প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মেয়র হিসাবে ইতিহাস গড়তে পারেন কেরালায় জন্ম নেওয়া ৪৪ বছর বয়সী নিত্যা রমন। ২০২৬ সালের মেয়র নির্বাচনে এই মুহূর্তে জল্পনার কেন্দ্রে রয়েছেন এই দুঁদে ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট নেত্রী। পলিমার্কেটের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, তাঁর জয়ের সম্ভাবনা প্রায় ৬০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে!


আমেরিকার রাজনীতিতে নিত্যা রমন একজন কড়া বামপন্থী হিসাবে পরিচিত। নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির সাফল্যের পর তাঁকেও এখন ‘নেক্সট মামদানি’ বলে অভিহিত করছেন বিশেষজ্ঞরা। লয়লা মেরিমাউন্ট ইউনিভার্সিটির সমীক্ষায় নিত্যা বেশ এগিয়ে থাকলেও লড়াই কিন্তু মোটেও একপেশে নয়। ইউসিএলএ (UCLA) লুসকিন স্কুলের সমীক্ষা অনুযায়ী, বর্তমান মেয়র কারেন বাস এখনও বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। লড়াই এতটাই হাড্ডাহাড্ডি যে প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটার এখনও মনস্থির করে উঠতে পারেননি।


নিত্যার এই লড়াইয়ে নামাটা ছিল বেশ চমকপ্রদ। কিছুদিন আগেও তিনি কারেন বাসকে সমর্থন করতেন। কিন্তু, গত বছরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এবং লস অ্যাঞ্জেলসের দীর্ঘদিনের আবাসন সমস্যা নিয়ন্ত্রণে বাসের ব্যর্থতা নিত্যাকে সরাসরি নির্বাচনের ময়দানে নামতে বাধ্য করেছে। ২০২০ সালে তিনি ন্যান্সি পেলোসি সমর্থিত হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারিয়ে সিটি কাউন্সিলে জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। ফের সেই ‘জায়ান্ট কিলার’ ইমেজে ভর করেই বাজিমাত করতে চাইছেন তিনি।


কেরালায় জন্ম নেওয়া এই মেধাবী তরুণী যদি শেষ পর্যন্ত জয়ী হন, তবে আমেরিকার রাজনীতিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের জয়যাত্রা এক নতুন মাত্রা পাবে। বিশেষ করে তাঁর বামপন্থী আদর্শ এবং প্রান্তিক মানুষের আবাসন সমস্যা নিয়ে লড়াই তাঁকে লস অ্যাঞ্জেলসের নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে। শেষ পর্যন্ত ‘সিটি অফ অ্যাঞ্জেলস’-এর রাশ এই কেরালা-কন্যার হাতে আসে কিনা, তার উত্তর দেবে সময়।

বিষয় : USPOLITICS nithyaraman keralainusa

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


আমেরিকার মাটিতে কেরালা-কন্যার দাপট! নিত্যা রমনই কি লস অ্যাঞ্জেলসের পরবর্তী মেয়র?

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

featured Image
লস অ্যাঞ্জেলেস: নিউইয়র্কের পর এবার কি লস অ্যাঞ্জেলসের মসনদ দখল করতে চলেছেন এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত? সব ঠিক থাকলে আমেরিকার এই অন্যতম প্রধান শহরের প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মেয়র হিসাবে ইতিহাস গড়তে পারেন কেরালায় জন্ম নেওয়া ৪৪ বছর বয়সী নিত্যা রমন। ২০২৬ সালের মেয়র নির্বাচনে এই মুহূর্তে জল্পনার কেন্দ্রে রয়েছেন এই দুঁদে ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট নেত্রী। পলিমার্কেটের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, তাঁর জয়ের সম্ভাবনা প্রায় ৬০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে!আমেরিকার রাজনীতিতে নিত্যা রমন একজন কড়া বামপন্থী হিসাবে পরিচিত। নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির সাফল্যের পর তাঁকেও এখন ‘নেক্সট মামদানি’ বলে অভিহিত করছেন বিশেষজ্ঞরা। লয়লা মেরিমাউন্ট ইউনিভার্সিটির সমীক্ষায় নিত্যা বেশ এগিয়ে থাকলেও লড়াই কিন্তু মোটেও একপেশে নয়। ইউসিএলএ (UCLA) লুসকিন স্কুলের সমীক্ষা অনুযায়ী, বর্তমান মেয়র কারেন বাস এখনও বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। লড়াই এতটাই হাড্ডাহাড্ডি যে প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটার এখনও মনস্থির করে উঠতে পারেননি।নিত্যার এই লড়াইয়ে নামাটা ছিল বেশ চমকপ্রদ। কিছুদিন আগেও তিনি কারেন বাসকে সমর্থন করতেন। কিন্তু, গত বছরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এবং লস অ্যাঞ্জেলসের দীর্ঘদিনের আবাসন সমস্যা নিয়ন্ত্রণে বাসের ব্যর্থতা নিত্যাকে সরাসরি নির্বাচনের ময়দানে নামতে বাধ্য করেছে। ২০২০ সালে তিনি ন্যান্সি পেলোসি সমর্থিত হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারিয়ে সিটি কাউন্সিলে জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। ফের সেই ‘জায়ান্ট কিলার’ ইমেজে ভর করেই বাজিমাত করতে চাইছেন তিনি।কেরালায় জন্ম নেওয়া এই মেধাবী তরুণী যদি শেষ পর্যন্ত জয়ী হন, তবে আমেরিকার রাজনীতিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের জয়যাত্রা এক নতুন মাত্রা পাবে। বিশেষ করে তাঁর বামপন্থী আদর্শ এবং প্রান্তিক মানুষের আবাসন সমস্যা নিয়ে লড়াই তাঁকে লস অ্যাঞ্জেলসের নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে। শেষ পর্যন্ত ‘সিটি অফ অ্যাঞ্জেলস’-এর রাশ এই কেরালা-কন্যার হাতে আসে কিনা, তার উত্তর দেবে সময়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার