ফের ভোটের ডাক, আর তাতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ ভোটাররা। শনিবার রাজ্যের ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্তে ফের ভোটগ্রহণ চলছে, যার মধ্যে মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার ১১টি এবং ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার ৪টি বুথ রয়েছে।
সকাল থেকেই মগরাহাটের বিভিন্ন বুথে দেখা গিয়েছে দীর্ঘ লাইন। নাজরা এফপি স্কুলের ১২৬ ও ১২৭ নম্বর বুথে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ১২৬ নম্বর বুথে মোট ভোটার ১০৪৯ জন—এর মধ্যে ৫৪৪ জন পুরুষ এবং ৪৯৮ জন মহিলা। অন্যদিকে ১২৭ নম্বর বুথে পুরুষ ভোটার ৫৪৩ জন এবং মহিলা ভোটার ৪৭৬ জন।
এই পুনর্নির্বাচন নিয়ে অনেক ভোটারের মধ্যেই ক্ষোভ স্পষ্ট। আয়েশা খাতুন নামে এক ভোটার শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও ভাইঝির কাঁধে চড়ে ভোট দিতে আসেন। তাঁর দাবি, প্রথম দিন কোনও সমস্যাই হয়নি, শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট দিয়েছিলেন। তবুও ফের ভোট দিতে আসতে হওয়ায় তিনি বিরক্ত। তাঁর কথায়, “এটা হয়রানি ছাড়া আর কিছুই নয়। তবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে এসেছি।”
একই সুর শোনা গিয়েছে আকলিমা খাতুন, অমরনাথ মণ্ডল, পীর আলি লস্কর ও নুরজাহান বিবির কথাতেও। তাঁদের বক্তব্য, প্রথম দিনের ভোটে কোনও গন্ডগোল না থাকলেও কেন দ্বিতীয়বার ভোট দিতে হচ্ছে, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৯ এপ্রিলের ভোটে ১২৭ নম্বর বুথের ইভিএমে টেপ লাগানো ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি দুটি বুথ হওয়ায় ১২৬ ও ১২৭ নম্বর বুথ—দুটিতেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শামীম আহমেদ বলেন, অভিযোগ উঠলেও তার কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ বা ভিডিও সামনে আসেনি। তাঁর দাবি, প্রথম দিনের ভোটে পর্যবেক্ষকের রিপোর্টেও সব ঠিক ছিল। তবুও নির্বাচন কমিশন পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন