কলকাতা: ৩ মে, ২০২৬: কালই মহাগণনা, তার আগে রবিবার সন্ধেয় নজিরবিহীন তৎপরতা কালীঘাটে। একুশের নন্দীগ্রামের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আর এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ নিজের বাসভবনে ভবানীপুর কেন্দ্রের রণকৌশল স্থির করতে হাই-ভোল্টেজ বৈঠকে বসছেন তিনি।
উপস্থিত থাকছেন ভবানীপুরের ৮ জন কাউন্সিলর, ওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট এবং মুখ্য নির্বাচনী এজেন্ট। সূত্রের খবর, গণনার টেবিলে প্রতিটি রাউন্ডে কীভাবে নজরদারি চালাতে হবে এবং কোনোভাবেই যাতে কারচুপির সুযোগ না থাকে, তার চূড়ান্ত ‘লাস্ট মিনিট সাজেশন’ আজ দেবেন নেত্রী নিজেই। শুধু ভবানীপুর নয়, রাজ্যের বাকি প্রান্তের প্রার্থীদের সঙ্গেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়ালি কথা বলতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।
আসলে এবারের ভবানীপুর কেন্দ্রটি আক্ষরিক অর্থেই প্রেস্টিজ ফাইট। একদিকে খোদ মুখ্যমন্ত্রী, অন্যদিকে তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারী— দুই হেভিওয়েটের সম্মুখ সমরে বাংলা এখন স্নায়ুর চাপে ভুগছে।
পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে গণনার দিন যে নাটকীয় মোড় এবং ‘লোডশেডিং’ বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি যাতে কোনোভাবেই না ঘটে, সেটাই এখন মমতার প্রধান লক্ষ্য। গণনাকেন্দ্রের ভেতর এজেন্টদের ভূমিকা থেকে শুরু করে ব্যালট পেপার পরীক্ষা— প্রতিটি খুঁটিনাটি নিয়ে আজ পাঠ দেবেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, রবিবারের এই বৈঠক আসলে শুভেন্দু শিবিরের বিরুদ্ধে এক মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ের প্রস্তুতি। ৪ মে-র সকালে ইভিএম খোলার আগে কালীঘাটের এই গোপন বৈঠকই তৃণমূলের ভাগ্য নির্ধারণের ব্লু-প্রিন্ট হতে চলেছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন