ভোটগণনার দ্বিতীয় রাউন্ড শেষ হতেই বঙ্গ রাজনীতির সমীকরণ ওলটপালট করে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রামের পাশাপাশি খোদ মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী ক্ষেত্র ভবানীপুরেও লিড নিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষে ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে ১৫৫৮ ভোটে এগিয়ে যাওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রীতিমতো হুঙ্কার ছাড়েন শুভেন্দু।
তিনি স্পষ্ট জানান, যে বুথগুলো থেকে তিনি ১১০০ ভোট পাওয়ার আশা করেছিলেন, সেখান থেকে ৩০০০ ভোট পেয়েছেন— যা তাঁর প্রত্যাশার চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি। নন্দীগ্রামে আপাতত ৭ হাজার ভোটের লিড বজায় রেখে তিনি দাবি করেছেন, গোটা রাজ্যে বিজেপি ১৬৫টিরও বেশি আসনে জয়ী হতে চলেছে।
শুভেন্দুর বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর সমীকরণ। তাঁর দাবি, হিন্দু প্রধান এলাকাগুলোর ইভিএম থেকে যেমন বিজেপি ঢেলে ভোট পেয়েছে, তেমনই এবার সংখ্যালঘু ভোটের একচেটিয়া আধিপত্য হারিয়েছে তৃণমূল। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের মতো জেলাগুলোতে সেই ভোট কংগ্রেসের দিকে ঝোঁকার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।
ভবানীপুরের ফল নিয়ে তাঁর ব্যাখ্যা, প্রথম রাউন্ড মুসলিম প্রধান ওয়ার্ডে হওয়ায় তিনি পিছিয়ে থাকলেও, দ্বিতীয় রাউন্ডে হিন্দু প্রধান এলাকা আসতেই তিনি সমস্ত ব্যবধান মুছে দিয়ে লিড নিতে শুরু করেছেন। গণনার এই প্রাথমিক ট্রেন্ডে যখন শুভেন্দু-শিবিরে জয়ের উৎসবের মেজাজ, তখন দিল্লির কন্ট্রোল রুমে বসে প্রতি মুহূর্তের গতিপ্রকৃতির ওপর কড়া নজর রাখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন