দার্জিলিং: ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে উত্তরবঙ্গ তথা পাহাড়ের রাজনৈতিক সমীকরণ একবারে স্পষ্ট হয়ে গেল। দার্জিলিংয়ের তিনটি বিধানসভা কেন্দ্র—দার্জিলিং সদর, কার্শিয়াং এবং কালিম্পং—তিনটি আসনেই নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখল ভারতীয় জনতা পার্টি। ঘাসফুল শিবির তো বটেই, স্থানীয় পাহাড়কেন্দ্রিক দলগুলির প্রবল বিরোধিতাকে ছাপিয়ে পাহাড়ে নিজেদের দুর্গ রক্ষা করতে সফল হয়েছে গেরুয়া শিবির।
আজ সকাল থেকেই গণনাকেন্দ্রের বাইরে উত্তেজনার পারদ ছিল তুঙ্গে। প্রথম রাউন্ড থেকেই বিজেপির প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য লিড বজায় রেখেছিলেন। পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের চাওয়া-পাওয়া এবং আঞ্চলিক দাবিদাওয়ার প্রেক্ষিতে পদ্ম শিবিরের এই 'ক্লিন সুইপ' অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। জয় নিশ্চিত হতেই পাহাড়ের রাস্তায় নেমে আসে খুশির জোয়ার। গেরুয়া আবিরে মেতে ওঠেন কর্মীরা। নেপালি গান এবং জয়োল্লাসে উৎসবের চেহারা নেয় শৈলশহর।
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, "পাহাড়ের মানুষ তৃণমূলের অপশাসন এবং বঞ্চনার যোগ্য জবাব দিয়েছেন। তাঁরা মোদীজির উন্নয়ন এবং আমাদের দলের ওপর ভরসা রেখেছেন।" অন্যদিকে, তৃণমূলের জন্য এই ফলাফল বড়সড় ধাক্কা। পাহাড়ের হারানো জমি পুনরুদ্ধার করতে এবারও ব্যর্থ হল জোড়াফুল শিবির। স্থানীয় অনীত থাপা বা বিমল গুরুংদের প্রভাব যে আগের মতো কাজ করেনি, তা ফলাফলেই স্পষ্ট।
দার্জিলিং, কার্শিয়াং এবং কালিম্পং—তিন আসনেই জয়ের খবর পৌঁছোতেই পাহাড়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকার Gপর পাহাড়বাসীর এই আস্থা আগামী দিনে পাহাড়ের রাজনীতিকে কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেটাই দেখার।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন