Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

নন্দীগ্রামের পর এবার খাস তালুক ভবানীপুরেও মমতা-বধ! জয়ের পরেই কার পায়ে প্রণাম ঠুকলেন ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু?

নন্দীগ্রামের পর এবার খাস তালুক ভবানীপুরেও মমতা-বধ! জয়ের পরেই কার পায়ে প্রণাম ঠুকলেন ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু?
ভবানীপুরে জয়ের পর শুভেন্দু অধিকারী। ছবি-সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ফের একবার ইতিহাস লিখলেন শুভেন্দু অধিকারী। একুশের স্মৃতি উসকে দিয়ে নন্দীগ্রামের পর এবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘরের মাঠ’ হিসেবে পরিচিত ভবানীপুরেও জয়ের ঝান্ডা ওড়ালেন তিনি। শুধু জয়ই নয়, নন্দীগ্রামের ব্যবধানকেও ছাপিয়ে গিয়ে এদিন ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন শুভেন্দু। এই হাইভোল্টেজ জয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি শিবিরে অকাল হোলি শুরু হয়েছে, আর জয়ের মুকুট মাথায় পরেই জনসমক্ষে মুখ খুললেন বর্তমান রাজ্য রাজনীতির এই ‘ম্যান অফ দ্য মোমেন্ট’।

জয়ের পর উচ্ছ্বসিত বিজেপি কর্মীদের ভিড়ে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন তাঁর এই জয়ের রসায়নের কথা। তিনি বলেন, “আমাকে ভবানীপুরের মুসলিমরা ভোট দেননি; আমাকে জিতিয়েছেন হিন্দু, জৈন এবং শিখ সমাজ। আমি তাঁদের মাথা নত করে প্রণাম জানাই।” একইসঙ্গে তাঁর দাবি, এই আসনে বিজেপির জেতা অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল, কারণ ভবানীপুর না জিতলে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন অধরা থেকে যেত। শুধু নিজের দল নয়, সিপিএম সমর্থকদের একাংশও তাঁকে ভোট দিয়ে জয়ী করেছেন বলে এদিন মন্তব্য করেন শুভেন্দু।

নিজের এই জয়ের কৃতিত্ব দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্বের হাতে তুলে দিয়ে তিনি ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শুভেন্দু বলেন, “অমিত শাহজি আমাকে এই কেন্দ্রে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং প্রতি মুহূর্তে উৎসাহিত করেছিলেন। আজ তাঁর সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করতে পেরেছি।” তবে ব্যক্তিগত জয়ের আনন্দের মাঝেও দলের শহীদ কর্মীদের ভোলেননি তিনি। বাংলায় পরিবর্তনের লড়াইয়ে প্রাণ হারানো ৩০০-র বেশি বিজেপি কর্মীর স্মৃতিতে নিজের এই জয় উৎসর্গ করেছেন শুভেন্দু।


এদিকে শুভেন্দুর এই রাজকীয় জয়ের পর সমাজমাধ্যমে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও। এক্স হ্যান্ডেলে (পুরানো টুইটার) অমিত শাহ সরাসরি ভবানীপুরের মানুষকে কুর্নিশ জানিয়ে লিখেছেন, সাধারণ মানুষের এই রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে একজন অরাজক শাসকের ভবিষ্যৎ ঠিক কী হতে চলেছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বাংলায় বিজেপির এই উত্থানকে ‘নতুন সূর্যোদয়’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। সব মিলিয়ে, ভবানীপুরের এই ফল যে নবান্নের মসনদ দখলের লড়াইয়ে শুভেন্দু অধিকারীর দাপট কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল, তা নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : WestBengalElection2026 SuvenduAdhikari MamataBanerjee BhawanipurElectionResult

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


নন্দীগ্রামের পর এবার খাস তালুক ভবানীপুরেও মমতা-বধ! জয়ের পরেই কার পায়ে প্রণাম ঠুকলেন ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু?

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

featured Image
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ফের একবার ইতিহাস লিখলেন শুভেন্দু অধিকারী। একুশের স্মৃতি উসকে দিয়ে নন্দীগ্রামের পর এবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘরের মাঠ’ হিসেবে পরিচিত ভবানীপুরেও জয়ের ঝান্ডা ওড়ালেন তিনি। শুধু জয়ই নয়, নন্দীগ্রামের ব্যবধানকেও ছাপিয়ে গিয়ে এদিন ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন শুভেন্দু। এই হাইভোল্টেজ জয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি শিবিরে অকাল হোলি শুরু হয়েছে, আর জয়ের মুকুট মাথায় পরেই জনসমক্ষে মুখ খুললেন বর্তমান রাজ্য রাজনীতির এই ‘ম্যান অফ দ্য মোমেন্ট’।জয়ের পর উচ্ছ্বসিত বিজেপি কর্মীদের ভিড়ে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন তাঁর এই জয়ের রসায়নের কথা। তিনি বলেন, “আমাকে ভবানীপুরের মুসলিমরা ভোট দেননি; আমাকে জিতিয়েছেন হিন্দু, জৈন এবং শিখ সমাজ। আমি তাঁদের মাথা নত করে প্রণাম জানাই।” একইসঙ্গে তাঁর দাবি, এই আসনে বিজেপির জেতা অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল, কারণ ভবানীপুর না জিতলে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন অধরা থেকে যেত। শুধু নিজের দল নয়, সিপিএম সমর্থকদের একাংশও তাঁকে ভোট দিয়ে জয়ী করেছেন বলে এদিন মন্তব্য করেন শুভেন্দু।নিজের এই জয়ের কৃতিত্ব দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্বের হাতে তুলে দিয়ে তিনি ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শুভেন্দু বলেন, “অমিত শাহজি আমাকে এই কেন্দ্রে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং প্রতি মুহূর্তে উৎসাহিত করেছিলেন। আজ তাঁর সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করতে পেরেছি।” তবে ব্যক্তিগত জয়ের আনন্দের মাঝেও দলের শহীদ কর্মীদের ভোলেননি তিনি। বাংলায় পরিবর্তনের লড়াইয়ে প্রাণ হারানো ৩০০-র বেশি বিজেপি কর্মীর স্মৃতিতে নিজের এই জয় উৎসর্গ করেছেন শুভেন্দু।এদিকে শুভেন্দুর এই রাজকীয় জয়ের পর সমাজমাধ্যমে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও। এক্স হ্যান্ডেলে (পুরানো টুইটার) অমিত শাহ সরাসরি ভবানীপুরের মানুষকে কুর্নিশ জানিয়ে লিখেছেন, সাধারণ মানুষের এই রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে একজন অরাজক শাসকের ভবিষ্যৎ ঠিক কী হতে চলেছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বাংলায় বিজেপির এই উত্থানকে ‘নতুন সূর্যোদয়’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। সব মিলিয়ে, ভবানীপুরের এই ফল যে নবান্নের মসনদ দখলের লড়াইয়ে শুভেন্দু অধিকারীর দাপট কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল, তা নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার