কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের মসনদে কে বসবেন? ২০৭ আসনে জিতে তৃণমূলের দুর্গ গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর এখন রাজ্যজুড়ে কোটি টাকার প্রশ্ন এটাই। আর, এই মাহেন্দ্রক্ষণেই বড় সিদ্ধান্ত নিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। নতুন মুখ্যমন্ত্রী তথা পরিষদীয় দলনেতা বেছে নিতে পর্যবেক্ষক হিসাবে খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে বাংলায় পাঠানো হচ্ছে। তাঁর সঙ্গে সহকারী পর্যবেক্ষক হিসাবে থাকছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি।
বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন শাহ ও মাঝি। সাধারণত রাজ্যগুলিতে পরিষদীয় দলনেতা বাছাইয়ের জন্য প্রথম সারির নেতাদের পাঠানো হলেও, খোদ ‘সেকেন্ড-ইন-কমান্ড’ অমিত শাহকে এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলার এই জয়কে যে দিল্লি কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে, শাহর আগমনই তার বড় প্রমাণ।
বিজেপির নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসেন। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে পরিষদীয় দলনেতার নাম স্থির করা হয়। এবার যেহেতু বিজেপি সরকার গড়ছে, তাই যিনি পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হবেন, তিনিই হবেন পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। শাহর উপস্থিতিতেই সেই প্রতীক্ষিত খাম খোলা হবে।
সরকার গঠন এবং শপথগ্রহণ নিয়ে আপাতত রাজভবন ও বিজেপির অন্দরে তৎপরতা তুঙ্গে। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, আগামী ৯ মে নতুন সরকার শপথ নিতে পারে। যদিও তারিখ নিয়ে জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, "শপথের দিনক্ষণ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই চূড়ান্ত করবে।"
অমিত শাহর কলকাতা সফর এবং বিধায়কদের সঙ্গে এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকের পর বাংলার রাজনীতির নতুন অধ্যায় কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন