Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

রাজ্যের সব কলেজেও গেরুয়া ঝড় আসন্ন? ছাত্র রাজনীতি ও ভোট নিয়ে বড় ঘোষণা এবিভিপির!

রাজ্যের সব কলেজেও গেরুয়া ঝড় আসন্ন? ছাত্র রাজনীতি ও ভোট নিয়ে বড় ঘোষণা এবিভিপির!
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: বাংলায় ক্ষমতার পালাবদল হতেই শিক্ষাঙ্গনের সমীকরণও যেন বদলাতে শুরু করেছে! দীর্ঘ প্রায় আট-নয় বছর রাজ্যে থমকে থাকা ছাত্র সংসদ নির্বাচন কি এবার আলোর মুখ দেখবে? এই প্রশ্ন যখন তুঙ্গে, তখনই রাজ্যের ১০০ শতাংশ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা খোলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ময়দানে নামল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। সংগঠনের দাবি, এবার আর রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস নয়, বরং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ছাত্র রাজনীতির হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করাই তাদের মূল লক্ষ্য।


এবিভিপির দাবি, বর্তমানে রাজ্যের প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদের উপস্থিতি রয়েছে। উত্তরবঙ্গ, পুরুলিয়া বা বাঁকুড়ার মতো জেলাগুলিতে তারা শক্তিশালী হলেও, এবার তাদের নজরে কলকাতা ও শহরতলির নামী কলেজগুলি। এবিভিপির রাষ্ট্রীয় মিডিয়া সেলের সহ-আহ্বায়ক দেবাঞ্জন পাল জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনেই আরও ১০ শতাংশ নতুন ক্যাম্পাসে শাখা খোলা হয়েছে। তাঁর দাবি, আনকোরা পড়ুয়াদের পাশাপাশি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বহু সদস্যও গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে চাইছেন। যদিও ভাবমূর্তি স্বচ্ছ না হলে কাউকে নেওয়া হবে না।


২০১৭ সালের পর থেকে বাংলায় ছাত্র সংসদ নির্বাচন কার্যত বন্ধ। এই বন্ধ্যাত্ব কাটাতে লিংডো কমিশনের সুপারিশ মেনে নিয়মিত ছাত্র ভোটের দাবি তুলছে এবিভিপি। দেবাঞ্জনের তোপ, “তৃণমূল স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ধ্বংস করেছে। আমরা সেটা ফিরিয়ে আনব।” অন্যদিকে, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য ছাত্র ভোটকে স্বাগত জানালেও বর্তমান অস্থির পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন।


এদিকে, এবিভিপির এই অতি-সক্রিয়তাকে ‘দখলদারি’ হিসাবে দেখছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই। তাদের অভিযোগ, সরকারি ক্ষমতার দাপটে বহিরাগতদের ঢুকিয়ে ইউনিয়ন রুম দখলের চেষ্টা চলছে। মঙ্গলবারই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিএসও এবং এবিভিপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়েছে ক্যাম্পাস। অভিযোগ উঠেছে ছাত্রীদের উপর হামলা চালানোরও। এই সংঘাতের আবহে বাংলার উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে আদৌ গণতন্ত্র ফেরে নাকি নতুন কোনও দাদাগিরির সংস্কৃতি শুরু হয়, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় সাধারণ পড়ুয়ারা!

বিষয় : studentpolitics abvp bengaleducation

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


রাজ্যের সব কলেজেও গেরুয়া ঝড় আসন্ন? ছাত্র রাজনীতি ও ভোট নিয়ে বড় ঘোষণা এবিভিপির!

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বাংলায় ক্ষমতার পালাবদল হতেই শিক্ষাঙ্গনের সমীকরণও যেন বদলাতে শুরু করেছে! দীর্ঘ প্রায় আট-নয় বছর রাজ্যে থমকে থাকা ছাত্র সংসদ নির্বাচন কি এবার আলোর মুখ দেখবে? এই প্রশ্ন যখন তুঙ্গে, তখনই রাজ্যের ১০০ শতাংশ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা খোলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ময়দানে নামল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। সংগঠনের দাবি, এবার আর রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস নয়, বরং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ছাত্র রাজনীতির হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করাই তাদের মূল লক্ষ্য।এবিভিপির দাবি, বর্তমানে রাজ্যের প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদের উপস্থিতি রয়েছে। উত্তরবঙ্গ, পুরুলিয়া বা বাঁকুড়ার মতো জেলাগুলিতে তারা শক্তিশালী হলেও, এবার তাদের নজরে কলকাতা ও শহরতলির নামী কলেজগুলি। এবিভিপির রাষ্ট্রীয় মিডিয়া সেলের সহ-আহ্বায়ক দেবাঞ্জন পাল জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনেই আরও ১০ শতাংশ নতুন ক্যাম্পাসে শাখা খোলা হয়েছে। তাঁর দাবি, আনকোরা পড়ুয়াদের পাশাপাশি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বহু সদস্যও গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে চাইছেন। যদিও ভাবমূর্তি স্বচ্ছ না হলে কাউকে নেওয়া হবে না।২০১৭ সালের পর থেকে বাংলায় ছাত্র সংসদ নির্বাচন কার্যত বন্ধ। এই বন্ধ্যাত্ব কাটাতে লিংডো কমিশনের সুপারিশ মেনে নিয়মিত ছাত্র ভোটের দাবি তুলছে এবিভিপি। দেবাঞ্জনের তোপ, “তৃণমূল স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ধ্বংস করেছে। আমরা সেটা ফিরিয়ে আনব।” অন্যদিকে, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য ছাত্র ভোটকে স্বাগত জানালেও বর্তমান অস্থির পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন।এদিকে, এবিভিপির এই অতি-সক্রিয়তাকে ‘দখলদারি’ হিসাবে দেখছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই। তাদের অভিযোগ, সরকারি ক্ষমতার দাপটে বহিরাগতদের ঢুকিয়ে ইউনিয়ন রুম দখলের চেষ্টা চলছে। মঙ্গলবারই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিএসও এবং এবিভিপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়েছে ক্যাম্পাস। অভিযোগ উঠেছে ছাত্রীদের উপর হামলা চালানোরও। এই সংঘাতের আবহে বাংলার উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে আদৌ গণতন্ত্র ফেরে নাকি নতুন কোনও দাদাগিরির সংস্কৃতি শুরু হয়, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় সাধারণ পড়ুয়ারা!

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার