কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারীর ছায়াসঙ্গী চন্দ্রনাথ রথের রক্তক্ষয়ী হত্যাকাণ্ড ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে রাজ্য রাজনীতি। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় যেভাবে বাইকে চড়ে এসে এলোপাথাড়ি গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হলো চন্দ্রনাথকে, তাতে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন তাঁর প্রতিবেশী থেকে শুরু করে খোদ বিরোধী দলনেতা।
ঘটনার পর থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে চন্দ্রনাথের বাড়ির সামনে থমথমে পরিবেশ, মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। শোকস্তব্ধ পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে পৌঁছে যান কাঁথির সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। তবে কান্নার রোল ছাপিয়ে এখন একটাই জোরালো দাবি উঠছে— ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার’ শিকার চন্দ্রনাথের খুনিদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে, অন্যথায় রাজ্যজুড়ে শুরু হবে বৃহত্তর আন্দোলন।
এই হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতা এতটাই যে, খোদ রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত রাত ১টার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বাধ্য হন। ডিজির সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়ে চন্দ্রনাথের স্ত্রী স্পষ্ট জানান, "স্বামীকে তো আর ফিরে পাব না, কিন্তু যারা এই কাজ করেছে তাদের এনকাউন্টার চাই।" অন্যদিকে, হাসপাতালে আহত বুদ্ধদেব বেরা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। শুভেন্দু অধিকারী এই খুনের নেপথ্যে রাজনীতির যোগ থাকার ইঙ্গিত দিলেও এখনই কোনো নির্দিষ্ট নাম নিয়ে তদন্তকে প্রভাবিত করতে চাননি। তিনি পুলিশের ওপর ভরসা রাখলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, গত ১৫ বছর ধরে বাংলায় এভাবেই রক্ত ঝরছে। আইন হাতে না তুলে নিয়ে শান্তির আবেদন জানালেও চন্দ্রনাথের পাড়া-প্রতিবেশীরা সাফ জানিয়েছেন, বিচার না পেলে রাজপথ শান্ত হবে না।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন