শুভেন্দু অধিকারীর অতি নির্ভরযোগ্য ছায়াসঙ্গী চন্দ্রনাথ রথের রক্তক্ষয়ী হত্যাকাণ্ডের পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই থমথমে মধ্যমগ্রাম। ঘাতকদের পাকড়াও করতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে রাজ্য পুলিশ ও সিআইডির (CID) যৌথ স্পেশাল টিম।
ঘটনাস্থল দোহাড়িয়া এলাকা বর্তমানে পুলিশি ঘেরাটোপে বন্দি, মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। খুনের কিনারা করতে ওই এলাকার সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সিসিটিভি ফুটেজেই লুকিয়ে রয়েছে আততায়ীদের গতিবিধির গোপন সূত্র। অন্যদিকে, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা চন্দ্রনাথের সেই রক্তাক্ত গাড়িটি পরীক্ষা করে চালকের আসন ও পাশের সিট থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করেছেন।
এদিকে চন্দ্রনাথের দেহের ময়নাতদন্ত নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না প্রশাসন। বারাসত মেডিক্যাল কলেজে তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের একটি দল গঠন করা হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। হাসপাতালের বাইরে বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় পরিস্থিতি রীতিমতো অগ্নিগর্ভ।
ভারপ্রাপ্ত ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত শিলিগুড়ির নম্বর দেওয়া সেই সন্দেহভাজন গাড়ির রহস্য নিয়ে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। বুধবার রাতেই শুভেন্দু অধিকারী এবং সুকান্ত মজুমদার যেভাবে এই খুনের পেছনে ‘রেকি’ ও ‘ঠান্ডা মাথার পরিকল্পনার’ দাবি তুলেছেন, তাতে রাজনীতির জল কতদূর গড়ায় সেটাই এখন দেখার। আপাতত যশোর রোড থেকে দোহাড়িয়া পর্যন্ত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলে খুনিদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ ও গোয়েন্দারা।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন