Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

"ফাঁসি চাই না, তিলে তিলে মরুক ঘাতকরা!" চন্দ্রনাথের মায়ের আর্তনাদে কাঁপল বাংলা, নিশানায় তৃণমূল

"ফাঁসি চাই না, তিলে তিলে মরুক ঘাতকরা!" চন্দ্রনাথের মায়ের আর্তনাদে কাঁপল বাংলা, নিশানায় তৃণমূল
প্রতীকী ছবি

বারাসত: "আমি মা! তাই, চাইব না কারও ফাঁসি হোক। আমি চাই, দোষীদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হোক। ওরা তিলে তিলে শাস্তি পাক!" শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস খুনের পর একথা বলেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন তাঁর মা হাসিরানি রথ। বৃহস্পতিবার বারাসত হাসপাতালে দাঁড়িয়ে ছেলের খুনিদের বিচার চাওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের বিদায়ী শাসকদলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি।


ছেলের মৃত্যুর জন্য সরাসরি তৃণমূল নেতাদের উস্কানিমূলক বিভিন্ন মন্তব্যকেই দায়ী করেছেন চন্দ্রনাথের মা। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের সময় শাসকদলের নেতারা মঞ্চ থেকে ‘গরম-গরম’ বক্তৃতা করেছিলেন। হাসিরানির কথায়, "ওরা বলেছিল ৪ তারিখের পর দিল্লির কোনও বাবা রক্ষা করতে পারবে না। আজ, সেটাই ওরা করে দেখাল। উস্কানিমূলক কথা বলে আমার ছেলেকে কেড়ে নেওয়া হল।"


রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে শোকাতুর মায়ের কাতর আবেদন, "যারা সরকার গড়তে চলেছে, তাদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ— আমার ছেলের খুনিরা যেন রেহাই না পায়। আমি এই হত্যার সঠিক বিচার চাই।" বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে সিট তদন্ত শুরু করলেও মায়ের মন মানছে না কোনও সান্ত্বনা।


বুধবার রাতে যখন চন্দ্রনাথকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়, তখন গাড়িতে তাঁর সঙ্গে আরও একজন ছিলেন। তিনি তাঁর গাড়ির চালক। চন্দ্রনাথের মৃত্যু হলেও ওই ব্যক্তি বর্তমানে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। সিআইডি এবং রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের নিয়ে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ এবং টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


তারই মধ্যে ছেলের নিথর দেহের সামনে দাঁড়িয়ে হাসিরানি রথের আর্তনাদ আজ রাজ্যের প্রতিটি মানুষের মনে প্রশ্নের পাহাড় তৈরি করেছে। রাজনৈতিক লড়াইয়ের বলি কেন হতে হল একজন আপ্তসহায়ককে? সিট-এর তদন্তে কি ধরা পড়বে আসল ষড়যন্ত্রকারীরা? উত্তর খুঁজছে গোটা বাংলা।

বিষয় : BengalPolitics SuvenduAdhikari CHANDRANATHRATHMURDER

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


"ফাঁসি চাই না, তিলে তিলে মরুক ঘাতকরা!" চন্দ্রনাথের মায়ের আর্তনাদে কাঁপল বাংলা, নিশানায় তৃণমূল

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image
বারাসত: "আমি মা! তাই, চাইব না কারও ফাঁসি হোক। আমি চাই, দোষীদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হোক। ওরা তিলে তিলে শাস্তি পাক!" শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস খুনের পর একথা বলেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন তাঁর মা হাসিরানি রথ। বৃহস্পতিবার বারাসত হাসপাতালে দাঁড়িয়ে ছেলের খুনিদের বিচার চাওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের বিদায়ী শাসকদলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি।ছেলের মৃত্যুর জন্য সরাসরি তৃণমূল নেতাদের উস্কানিমূলক বিভিন্ন মন্তব্যকেই দায়ী করেছেন চন্দ্রনাথের মা। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের সময় শাসকদলের নেতারা মঞ্চ থেকে ‘গরম-গরম’ বক্তৃতা করেছিলেন। হাসিরানির কথায়, "ওরা বলেছিল ৪ তারিখের পর দিল্লির কোনও বাবা রক্ষা করতে পারবে না। আজ, সেটাই ওরা করে দেখাল। উস্কানিমূলক কথা বলে আমার ছেলেকে কেড়ে নেওয়া হল।"রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে শোকাতুর মায়ের কাতর আবেদন, "যারা সরকার গড়তে চলেছে, তাদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ— আমার ছেলের খুনিরা যেন রেহাই না পায়। আমি এই হত্যার সঠিক বিচার চাই।" বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে সিট তদন্ত শুরু করলেও মায়ের মন মানছে না কোনও সান্ত্বনা।বুধবার রাতে যখন চন্দ্রনাথকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়, তখন গাড়িতে তাঁর সঙ্গে আরও একজন ছিলেন। তিনি তাঁর গাড়ির চালক। চন্দ্রনাথের মৃত্যু হলেও ওই ব্যক্তি বর্তমানে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। সিআইডি এবং রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের নিয়ে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ এবং টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখছে পুলিশ।তারই মধ্যে ছেলের নিথর দেহের সামনে দাঁড়িয়ে হাসিরানি রথের আর্তনাদ আজ রাজ্যের প্রতিটি মানুষের মনে প্রশ্নের পাহাড় তৈরি করেছে। রাজনৈতিক লড়াইয়ের বলি কেন হতে হল একজন আপ্তসহায়ককে? সিট-এর তদন্তে কি ধরা পড়বে আসল ষড়যন্ত্রকারীরা? উত্তর খুঁজছে গোটা বাংলা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার